free hit counter
ইতিহাস

গুগল কে আবিষ্কার করেন, গুগল এর জনক কে [গুগলের আবিষ্কার ও ইতিহাসঃ কিছু না জানা তথ্য ]

গুগল এলএলসি(ইংরেজি: Google LLC) বা গুগল লিমিটেড লায়াবেলিটি কোম্পানি ইন্টারনেটভিত্তিক সেবা ও পণ্যে বিশেষায়িত একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ছাত্র থাকাকালীন ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন ১৯৯৮ সালের ৪ই সেপ্টেম্বর গুগল নির্মান করেন। গুগলের ১৪ শতাংশ শেয়ার তাদের এবং বিশেষ সুপারভোটিং ক্ষমতার মাধ্যমে ৫৬ শতাংশ স্টকহোল্ডারকে নিয়ন্ত্রণ করে। সেপ্টেম্বর ৪, ১৯৯৮ সালে তারা গুগলকে প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। গুগল আগস্ট ১৯, ২০০৪ সালে ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও) দেয় ও গুগলপ্লেক্স নামে মাউন্টেইন ভিউতে তাদের নতুন সদরদপ্তরে স্থানান্তরিত হয়। আগস্ট ২০১৫ সালে গুগল এর বিভিন্ন কার্যক্রম আলফাবেট ইনকর্পোরেটেড নামে সমন্বিত করার পরিকল্পনার কথা জানায়। আলফাবেটের প্রধান অধীনস্থ সংগঠন হিসেবে আলফাবেটের ইন্টারনেট কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পুনর্গঠনের সমাপনী অংশ হিসেবে ল্যারি পেজ সুন্দর পিচাইকে গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিস্থাপন করেন। (ল্যারি পেজ এখন আলফাবেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)

গুগলের প্রধান সেবা গুগল সার্চ ছাড়াও নতুন পণ্য, অধিগ্রহণ ও অংশীদারত্বের সাথে সাথে কোম্পানিটির দ্রুত প্রসার হয়। কাজ ও প্রোডাক্টিভিটি সেবা (গুগল ডক, শিট ও স্লাইড), ইমেইল (জিমেইল/ইনবক্স), সময়সূচী ও সময় ব্যবস্থাপক (গুগল ক্যালেন্ডার), ক্লাউড স্টোরেজ (গুগল ড্রাইভ), সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (গুগল+), ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং ও ভিডিও চ্যাট (গুগল এলো/ডুও/হ্যাংআউট), অনুবাদক (গুগল ট্রান্সলেট), মানচিত্র (গুগল ম্যাপস/ওয়েজ/আর্থ/স্ট্রিট ভিউ), ভিডিও ভাগাভাগি (ইউটিউব), নোট নেওয়া (গুগল কিপ), এবং ছবি ব্যবস্থাপক (গুগল ফটোজ) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

গুগল সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন ডেটা সেন্টারে প্রায় এক মিলিয়ন সার্ভার চালায় ও ৫.৪ বিলিয়নের বা ৫০০কোটির উপর অনুসন্ধানের অনুরোধ এবং প্রায় ২৪ পেটাবাইট ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরী ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে প্রতিদিন। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর অনুযায়ী এলেক্সা আমেরিকার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা ওয়েবসাইটের তালিকায় স্থান দেয় গুগলকে। এছাড়াও গুগলের অন্যান্য আন্তর্জাতিক সাইট যেমন ইউটিউব, ব্লগার এবং অরকুট সেরা একশটি সাইটে স্থান পায়। ব্রান্ড্য তাদের ব্রান্ড ইকুইটি ডাটাবেজে গুগলকে ২য় স্থান দেয়। গুগলের আধিপত্য বিভিন্ন সমালোচনার জন্ম দিয়েছে যেমন কপিরাইট, গোপনীয়তা এবং সেন্সরশিপ প্রভৃতি

গুগোল কি?

গুগোল একটি মাল্টিন্যাশনাল টেকনোলজি পাবলিক কোম্পানি। যার সাহায্যে কোন ইউজার যেকোন ইনফরমেশন টাইপ করে সার্চ করতে পারে।পুরো পৃথিবী জুড়ে গুগলে প্রত্যেক সেকেন্ডে 40 হাজারের বেশি keyword সার্চ হয়ে থাকে। মানে হল, গুগল তার ব্যবহারকারীকে 6 কোটিরও বেশি Queries প্রত্যেকদিন প্রদান করে।

গুগোল হলো এমন একটি ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন বা Tool যার উপরে নির্ভর করে, ব্যবহারকারী কোন বিষয়ে সার্চ করলে, সেই বিষয়ে অনেক ধরনের তথ্য গুগোল টুলের মাধ্যমে পেয়ে যায়।
গুগলের মাধ্যমে যেকোনো ইউজার যেকোনো ওয়েবসাইট দেখতে, ফটো, নিউজ, ইনফর্মেশন, ম্যাপ এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে তথ্য পেয়ে থাকে।গুগোল ইন্টারনেটের সবথেকে বড় একটি ওয়েবসাইট। এবং এলেক্সা রেংক অনুযায়ী গুগোল নাম্বার ওয়ান স্থান অধিকার করে আছে।আমরা যে সমস্ত সার্ভিস ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করে থাকি তার মধ্যে বেশিরভাগই গুগোল এর দ্বারা তৈরি। এবং আমরা যে এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করি, সেই এন্ড্রয়েড ভার্সন টিও গুগোল এর প্রোডাক্ট।
এবং আমাদের সমস্ত পপুলার অ্যাপ্লিকেশনগুলি মোবাইল ফোনে ব্যবহার করে থাকি যেমন Google Meet, Google Chrome, Google play, Gmail, Google play, Google drive, Google lens এই সবকিছু গুগোল এর দ্বারা তৈরি।

ইতিহাস

১৯৯৬ সালে গবেষণা প্রকল্প হিসাবে ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন পিএইচডি কোর্সের ছাত্র ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন এর কাজ শুরু করেন। ঐ সময়ের অনুসন্ধান ইন্জিনগুলো ফলাফলকে বিন্যাস করত কত বার একটি বিষয়কে অনুসন্ধান ইন্জিন পাতায় এনেছে সেই ভিত্তিতে। তাদের তত্ত্ব ছিল তখনকার কৌশলগুলোর চেয়ে নতুন কৌশলে কোনো একটা অনুসন্ধান ইঞ্জিন বানানো, যেটি ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যেকার পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষন করে ফলাফল দেখায়, তাহলে আরো ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে[। তারা একে পেজর‍্যাঙ্ক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এই পদ্ধতিতে একটি ওয়েব সাইটের পাতাগুলো কতটুকু সম্পর্কযুক্ত (অনুসন্ধান টার্মের সাথে) এবং ঐ পাতাগুলো কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ তা বিবেচিত হয় যা আসল সাইটের সাথে সংযুক্ত থাকে।

পেজ এবং ব্রিন শুরুতে নতুন অনুসন্ধান ইঞ্জিনের নাম রাখে “ব্যাকরাব”, কারণ এই ব্যবস্থায় সাইটের ব্যাকলিংকগুলো যাচাই করা হত ঐ সাইট কত গুরুত্বপূর্ণ তা নির্ধারণ করার জন্য। পরবর্তীতে তারা নাম পরির্বতন করে গুগল রাখে, যা আসলে ভুল বানানে লিখা “googol”থেকে এসেছে। এটি দিয়ে বোঝানো হত একটি সংখ্যার পেছনে একশত শূন্য। এরপর তা নাম হিসেবে নির্বাচন করা হয় কারণ তারা অনুসন্ধান ইঞ্জিনের বিশাল পরিমাণ তথ্য প্রদানের[২৩] ব্যপারটিকে গুরুত্ব দিতে চেয়েছিলেন। প্রথমত, গুগল স্ট্যানফোর্ড ইউনির্ভাসিটির ওয়েবসাইটের অধীনে চলত যার ঠিকানা ছিল google.stanford.edu এবং z.stanford.edu।

ডোমেইন নাম গুগল নিবন্ধিত করা হয় ১৫ই সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে এবং কর্পোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ সালে। এটি চালানো হত তাদের এক বন্ধুর গ্যারেজ থেকে যার নাম ছিল সুজান ওজচিচকি। তিনি ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়ার ক্রেইগ সিলভারস্টাইনে থাকতেন। প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিটি ছিল স্ট্যানফোর্ডের ফেলো পিএইচডি ডিগ্রি প্রাপ্ত একজন ছাত্র।

২০১১ সালের মে মাসে, প্রথমবারের মত এক মাসে গুগলে ইউনিক ভিজিটর এক বিলিয়ন পার হয়। যা ছিল ২০১০ সালের মে মাসের থেকে ৮.৪ ভাগ বেশি। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে, গুগল ঘোষণা করে এটি $৫০ বিলিয়ন বার্ষিক আয় করে ২০১২ সালে। যা গত বছরের চেয়ে ১২ বিলিয়ন বেশি।

১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৪ সালের ১৯শে আগস্ট এটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয়। সময়ের সাথে নিত্যনতুন পণ্য ও সেবা যোগ করে গুগল প্রতিনিয়ত নিজেদের আকার ও উপযোগিতা বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। একই সাথে নতুন কোম্পানি কিনে নিজেদের সাথে একীভূতকরণ, ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারত্ব ও বিজ্ঞাপন জগতে নিজেদের অবস্থানকে সুদৃঢ়ীকরণের মাধ্যমে নিজেদের বহুমুখিতাকে সমৃদ্ধ করেছে। ফলে তথ্য খোঁজার পাশাপাশি বর্তমানে ইমেইল, সামাজিক নেটওয়ার্কিং, ভিডিও শেয়ারিং, অফিস প্রোডাক্টিভিটি, প্রভৃতি বিষয়ে গুগলের সেবা রয়েছে।

ইমেজ সার্চ কি?

সাধারণত টেক্সট আকারে গুগলে লিখে আমরা ইনফরমেশন নিয়ে থাকি। কিন্তু কোনো ব্যবহারকারী যদি Google image এ গিয়ে, গুগল থেকে টেক্সটের মাধ্যমে ইমেজ বা ছবি, গুগল থেকে সরাসরি পেতে চায় সেটিকে ইমেজ সার্চ বলা হয়ে থাকে।
ইমেজ সার্চ করবার জন্য প্রথমে google.com এ গিয়ে IMAGES অপশনটিতে ক্লিক করুন। তারপর সার্চ বক্সে যেই ইমেজই দেখতে চান সেটিকে লিখুন। যেই ধরনের ইমেজ দেখতে চান সেটি লিখে সার্চ করা মাত্র আপনার সামনে ওই ধরনের হাজার হাজার ইমেজ দেখা দেবে।

গুগল কিভাবে কাজ করে?

গুগোল প্রধানত তার নিজস্ব অ্যালগোরিদমের উপর ভিত্তি করে কাজ করে থাকে। এবং গুগল তার ব্যবহারকারীকে তথ্য পরিবেশনের জন্য তিনটি ধাপে কাজ করে থাকে। সেগুলি হল

ওয়েব ক্রল (web crawling)
ইন্ডেক্সিং (indexing)
সার্চিং (searching)

ওয়েব ক্রল –

প্রথমে গুগল বিশ্বের সব ধরনের ওয়েব পেজগুলি নিজস্ব গুগোল বট এর সাহায্যে ক্রল করে। এবং গুগলবট বা স্পাইডার এর মাধ্যমে ওই ওয়েবপেজ গুলিতে কি ধরনের ইনফরমেশন আছে সেগুলো দেখার চেষ্টা করে।

ইন্ডেক্সিং –

তারপর ওয়েব পেজের ইনফরমেশন অনুযায়ী গুগোল তার সার্ভারে ওই সব ইনফরমেশন গুলো ইন্ডেক্স করে নেয়।

সার্চিং –

তারপর কোন ব্যবহারকারী গুগলে কোন কিছু জিনিস সার্চ করলে, গুগোল তার নিজস্ব সার্ভার থেকে, সার্চের বিষয় অনুযায়ী ইনফর্মেশন ইউজারকে দেখায়।

গুগল কিভাবে আয় করে

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি আয় করা কোম্পানি গুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশ্ব বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস এর তথ্য মতে, গুগলের দৈনিক আয় প্রায় 6 কোটি টাকা। সে হিসেবে গুগল প্রতি সেকেন্ডে 82 হাজার টাকা আয় করে।

গুগলের আয়ের প্রধান উৎস মূলত বিজ্ঞাপন। গুগল এডসেন্স, গুগল এডমোব ও ইউটিউব এর বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে গুগলের আয়ের সবচেয়ে বড় অংশটি আসে। এছাড়া বিভিন্ন ডিভাইস, সফটওয়্যার তৈরি ও ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমে গুগলের অনেক টাকা আয় হয়।

গুগলের মালিক কে

গুগলের মালিক আসলে নির্দিষ্ট কেউই না। Google যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি রেজিস্টার্ড publicly traded company। এ ধরনের কোম্পানি গুলো শেয়ারবাজারে কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে মালিকানা নির্ধারণ করে। সে হিসেবে যারা যারা শেয়ারবাজারে গুগলের শেয়ার কিনেছেন তারা সবাই গুগলের মালিক। ফোর্বসের তথ্যমতে, এসব শেয়ার হোল্ডারদের মধ্য থেকে গুগল কোম্পানিতে সবথেকে বেশি শেয়ার রয়েছে –

Larry page – ২৭.৪ % শেয়ার।
Sergey Brin – ২৬.৯ % শেয়ার।
Eric Schmidt – ৫.৫ % শেয়ার।

গুগলের সিইওর নাম কি

গুগল কোম্পানির নির্বাহী দায়িত্বের যিনি প্রধান থাকেন তাকে বলা হয় সিইও। সিইও কোম্পানির সব ধরনের কাজের তদারকি করেন৷ গুগলের প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বিভিন্ন সিইও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে Google এর CEO এর নাম হলো Sunder Pichai। সুন্দর পিচাই জন্মস্থান সূত্রে ভারতের একজন নাগরিক। গুগলের নতুন সিইও হিসেবে ২০১৫ সালের ১০ আগস্ট তারিখে সুন্দর পিচাইকে বেছে নিয়েছিল গুগল।

বর্তমান সময়ে গুগলের কয়েকটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট এবং তাদের কাজ

১. গুগল ড্রাইভ (Google Drive)
বর্তমান সময়ে Google অন্যতম জনপ্রিয় একটি প্রেডাক্ট হলো Google Drive. গুগল এর এই প্রোডাক্টটিতে আপনারা খুব সহজে যেকোনো ফাইল, ছবি, ভিডিও বা পিডিএফ/ ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফাইল সেভ করে রাখতে পারবেন।

প্রোডাক্টির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এখানে সেভ করা ফাইলটি আপনার ফোন মেমোরিতে কোনো জায়গা দখল না করে সেভ হয় ক্লাউডে। যার ফলে আপনার মোবাইলে স্পেস কম অপচয় হয় এবং আপনার মোবাইল স্লো হয়ে যায় না। তাছাড়া এটি আপনার কোনো ফাইল সহজে ডিলিট হয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।
কোনো কারনে আপনার ফোন নষ্ট হয়ে গেলেও আপনি আপনার জি-মেইল দিয়ে লগইন করে গুগল ড্রাইভ হতে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলটি সংগ্রহ করতে পারবেন। গুগল ড্রাইভ থেকে অসাবধানতাবসত কোনো ফাইল রিমুভ হলেও ভয় পাবার কোনো কারন নেই। আপনি বিনে ফাইলটির কপি পাবেন। বিন থেকে ডিলিট ফরেভার না দেওয়া হলে ফাইলটি হারানোর কোনো ভয় নেই।
বর্তমানে এন্ড্রয়েড ইউজারদের কাছে গুগলের এই প্রোডাক্টটি অনেক সমাদৃত। বর্তমান সময়ের ইউজাররা গুগলের এই প্রোডাক্টটির সিকিউরিটি আর সহজবোধ্যতার করানে ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য প্রকাশ করেন।

২. গুগল ম্যাপ (Google Map)
বর্তমান সময়ে Google এর সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোডাক্টটি হলো Google Map. আমাদের মাঝে সবাই মোটামুটি গুগলের এই প্রোডাক্টির সাথে পরিচিত এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কমবেশি সবাই এটি ব্যবহার করি। গুগল ম্যাপের সাহা্য্যে খুব সহজেই আমরা কোনো জায়গা খুজে বের করতে পারি।
গুগলের এই সেবাটি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলেছে। এর সাহায্যে যেমন আমরা কোন স্হানের দুরত্ব দেখতে পারি তেমনি আমাদের আশেপাশে অবস্হিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন ব্যাংক, এটিএম বুথ, রেল ওয়ে স্টেশন, বাস্ স্টেশন সহ সকল স্হানের সন্ধান পেতে পারি। বর্তমানে আমাদের আর কোনো জায়গা চেনার প্রয়োজন হয় না, গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আমাদের কাঙ্খিত স্হানে পৌছে যেতে পারি।বর্তমানে অনেক এপ্লিকেশন এই প্রোডাক্টি ব্যবহার করে প্রেরক বা গ্রাহকের অবস্থান জানাতে। ফুড পান্ডা, উবার থেকে শুরু করে বিভিন্ন এপ্লিকেশন গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে ভোক্তার কাছে তাদের সেবা পৌছে দিচ্ছে। তরুন সমাজের মাঝে যারা জিমে যান তারা রানিং বা হাটা বা সাইকেল চালানোর সময় ক্যালোরি মেজারিং এপ্লিকেশনেও গুগল ম্যাপ ব্যবহার করেন।

৩. গুগল প্লে এপ স্টোর ( Google Play App Store)

বর্তমন সময়ে গুগলের একটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট Google Play App Store যাকে আমরা Google Play Store নামে পরিচিত। এন্ড্রয়েড ইউজার সবাই আমরা এই প্রোডাক্টির সাথে পরিচিত।

কোন এপ্লিকেশন বা গেম্স ডাউনলোডের কথা আসলে সবার আগে আমাদের যার কথা মনে হয় সেটি Goole Play Store. এই প্রোডাক্টির মাধ্যমে খুব সহজেই আমরা আমাদের ফোনের জন্য হাজার হাজার ফ্রি এবং পেইড এপ্লিকেশন পেয়ে যাই।এর ব্যবহার অত্যন্ত সহজ হবার কারনেই সবাই এই প্রোডাক্টি অনেক পছন্দ করে। মোটামুটি আমাদের ফোনের জন্য সেসব এপ্লিকেশন দরকার তার সবই আমরা এখানে পাবো।শুধু তাই নয় কোনো এপ্লিকেশন পুরাতন হয়ে গেলে বা আপডেটের দরকার হলে এখান হতে খুব সহজে আপনার মোবাইলের যোকোনো এপ্লিকেশন আপডেট করতে পারবেন। এর সবচেয়ে ভালো দিকটি হলো যেকোনো এপ্লিকেশন ফাইল এটি খুব দ্রততার সাথে ডাউনলোড করতে পারে যার কারনে সবাই গুগলের এই প্রোডাক্টটি পছন্দ করেন।

৪. গুগল এডসেন্স (Google Adsense)
বর্তমান সময়ে গুগলের একটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট হলো Google Adsense. আমাদের মাঝে অনেকেই এই সেবাটির সাথে পরিচিত হলেও বেশিরভাগ লোক এই প্রোডাক্টির কাজ সম্পর্কে জানেন না। গুগল এডসেন্স গুগলের এমন একটি সার্ভিস যার মাধ্যমে advertiser রা টাকা দিয়ে যেকোনো বিজ্ঞাপন ইন্টারনেটে দেখাতে পারেন এবং পাব্লিশাররা তাদের ইউটিউব ভিডিও বা ব্লগে এসব বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা আয় করতে পারেন।
এটা সোজাসুজি একটি advertising network যর মাধ্যমে ব্লগ ও ওয়েবসাইট মালিকেরা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই টাকা আয় করতে পারবেন কিন্তু প্রথমেই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থাকতে হবে যেখানে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আপনি টাকা আয় করবেন। বিজ্ঞাপন দেখিয়ে যারা টাকা আয় করেন তাদেরকে বলা হয় পাবলিশার্স। এর মাধ্যামে বর্তমান সময়ে হাজারে যুবক সাবলম্বী হবে উঠছে।

৫. গুগল পে (Google Pay)
বর্তমান সময়ে গুগলের একটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট হলো Google Pay যাকে আমরা সচরাচর G-Pay নামে চিনে থাকি। গুগল পে বর্তমান সময়ে বেশি ব্যবহার করা একরি Mobile Wallet application. এটির সাহায্যে মোবাইলের মাধ্যমে আমরা নিজের ব্যাংক একাউন্ট থেকে যেকোনো একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারি।
এর সাথে নিজের বা অন্যের মোবাইল রিচার্জ থেকে শুরু করে বিল পেমেন্টের মতো সব ধরনের কাজ আমরা ঘরে বসে খুব সহজে মোবাইলের মাধ্যমে করতে পারি। বর্তমান সময়ে দেশের সব সরকারি বিদ্যালয়ে বেতন পরিশোধ গুগল পে সেবাটিকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফলে খুব সহজেই কোনো অসুবিধা ছাড়া ঘরে বসেই আমরা আমাদের সন্তানদের স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে পারি।

৬. গুগল এডওয়ার্ডস (Google Adwords)
বর্তমান সময়ে গুগলের একটি জনপ্রিয় সেবা হলো Google adwords. গুগলের এই অনলাইন সার্ভিস দ্বারা আপনার নিজের বিজনেস বা প্রোডাক্ট অনলাইনে মার্কেটিং বা প্রচার করে বাকি লোকদের নিজের ব্যবসা সম্পর্কে জানাতে পারবেন। প্রতিভাবান তরুন সমাজের জন্য সেবাটি উন্নয়নের দ্বার খুলে দিয়েছে।
খুব সহজেই নিজের পরিশ্রমে ব্যবসা দাড় করিয়ে অনলাইনে প্রাচরের মাধ্যমে আমরা আমাদের আইডিয়া শেয়ার করতে পারি আর পাশাপাশি আমাদের ব্যবসায়িক আইডিয়া সম্পর্কে অভিজ্ঞদের মতামত পেতে পারি। এতে করে যেমন নতুনেরা আমাদের দেখে অনুপ্রেরণা পাবে পাশাপাশি অভিজ্ঞদের পরামর্শ অনুসরন করে আমরা যেকোনো রকম আর্থিক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচতে পারি।

৭. গুগল ট্রান্সলেট ( Google Translate)

বর্তমান গুগলের সবচেয় বেশি প্রচলিত একটি প্রোডাক্ট হলো Google translate. এটি এমন একটি অনলাইন সার্ভিস যা ব্যবহার করে আমরা যকোনো ভাষাকে নিজের ভাষায় রূপান্তর করতে পারি। শিক্ষাক্ষেত্রে এটি নতুন সুযোগের দ্বার উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে খুব সহজেই আমরা আমাদের বিদেশি বন্ধুদের ন্যাটিভ ল্যাঙ্গুয়েজ বুঝতে পারি যা আমাদের দেশের বাইরে পড়াশোনাকে অনেক সহজ করে তোলে।তাছাড়া আমাদের মাঝে অনেকেই বাংলার পাশাপাশি ইংরেজী সহ অন্যান্য ভাষায় তেমন একটা পারদর্শী নন। তারা খুব সহজেই বাংলায় লিখে গুগল ট্রান্সলেটের মাধ্যমে প্রত্যাশিত ভাষায় নিজের কথা রূপান্তর করতে পারবে। ভাষার কারনে যে জড়তা দেখা যায় আমাদের মাঝে সেটি দূর করতে গুগল ট্রান্সলেট খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। এর মাধ্যমে মুখে বলেও আমরা সেটা লিখিত আকারে পরিনত করতে পারি যারা এটিকে আরো সমাদৃত করেছে।

৮. ইউটিউব (YouTube)
বর্তমান সময়ে গুগলের প্রোডাক্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোডাক্ট হলো ইউটিউব। হাতে একটি স্মার্টফোন আছে অথচ ইউটিউবের সাথে পরিচিত না এমন ইউজার খুজে পাওয়া যাবেনা।

ইউটিউব এমন একটি এপ্লিকেশন যার মাধ্যমে আমরা খুব সহজে আমাদের কাঙ্খিত ভিডি, অডিও উপভোগ করতে পারি এবং প্রয়োজনে সেভ করে রাখতে পারি। বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষার ক্ষেত্রে ইউটিউব সম্ভাবনার নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে। অবসর সময়ে ক্লান্তি আর একঘেয়েমিতা দূর করতে আমরা যেমন গান, মুভি দেখতে পারি ঠিক একই ভাবে আমরা ইউটিউবে নামকরা শিক্ষকদের ভিডিও দেখে অনেক জটিল সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান পেতে পারি৷করোনাকালীন সময়ে আমরা এর গুরুত্ব আরো ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারছি। ইউটিউবে শুধু গান ভিডিও পাওয়া যায় এমন না। আপনার প্রয়োজনীয় যেকোন শিক্ষামূলক প্রয়োজনীয় ক্লাস, ডকুমেন্টারি, এনিমেশন টিউটোরিয়াল বা ইন্জিনিয়ারিং টিউটোরিয়াল দেখে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারি। এছাড়া এখানে আমরা পাবে বিভিন্ন স্কলারদের মতবাদ যা থেকে আমরা স্বচ্ছ ধারনা পেতে পারি কোনো বিষয়ে।

৯. এন্ড্রোইড ওএস ( Android OS)
বর্তমান সময়ে গুগলের জনপ্রিয় প্রোডাক্টগুলোর মাঝে Android OS অন্যতম। আমাদের স্মার্টফোনে চলা অপারেটিং সিস্টেম হলো Android OS যা গুগলের একটি প্রেডাক্ট। আজ এন্ড্রয়েড মোবাইল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া মোবাইল হয়ে দাড়িয়েছে।আমাদের মতো সল্পোন্নত দেশে যাদের ব্যয়বহুল মোবাইল ব্যবহারের সামর্থ্য নেই তারা খুব সহজেই তাদের সহনীয় সীমায় একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল কিনতে পারেন। এর আরেকটি সুবিধা হলো এটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ এবং সবাই এটি ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। পৃথিবীর বিশাল এক সজসমাজকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার সুযোগ করে দিয়ে এটি আমাদের জীবনকে করেছে উন্নত।

১০. ব্লগার.কম ( Blogger.com)

বর্তমান সময়ে গুগলের জনপ্রিয় প্রোডাক্টগুলোর মাঝে Blogger.com অন্যতম। আজ ব্লগার (Blogger) বিশ্বের সব থেকে বড় প্রচলিত ও জনপ্রিয় ফ্রি প্লাটফর্ম যেটা ব্যবহার করে একজন খুব সহজেই ব্লগ তৈরি করতে পারে৷ ব্লগারের মাধ্যমে অনেক তরুনেরা নতুন নতুন বিষয়ে ব্লগ তৈরি করে তা ইউটিউব চ্যানেলে দেখিয়ে আয় করতে পারছে।
ইউটিউবে গেলেই আমরা দেখতে পাবো ট্রাভেল ব্লগ তেকে শুরু করে নানা রকম ভিডিও। পাব্লিশাররা তাদের শৈলির পরিচয় দেখিয়ে ট্রাভেল ব্লগ সহ নতুন নতুন কন্টেন্ট বানিয়ে তাদের ইউটিউব চ্যানেলে আপ্লোড করে। এসব দেখে যেমন আমরা একদিকে আনন্দ পাই অন্যদিকে অনেক সুক্ষাতিসুক্ষ বিষয় সম্পর্কে জানতে পারি।
উদাহরন হিসেবে বলা যায় কোনো ট্রাভেল ব্লগ দেখে আমরা সেখানে যাবার সহজ উপায় ও বিপদ সম্পর্কে জানতে পারি যা আমাদের অর্থ বাঁচাতে পারে। অন্যদিকে আমরা প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারি। ব্লগারের মাধ্যমে ব্লগ বানিয়ে আমাদের তরুন সমাজের অনেকে আয়ও করতে পারছে।
গুগল তার বিভিন্ন প্রোডাক্ট দ্বারা এভাবে আমাদের জীবনকে কত এডভান্সড ও সহজ করে দিয়েছে।

এন্টারপ্রাইজ পরিষেবা

১৫ ই মার্চ, ২০১৬-য় গুগল গুগল অ্যানালিটিক্স ৩০০ স্যুট, “এন্টারপ্রাইজ-ক্লাস মার্কেটারদের প্রয়োজনের জন্য বিশেষত ডিজাইন করা ইন্টিগ্রেটেড ডেটা এবং মার্কেটিং অ্যানালিটিক্যালস প্রোডাক্টস” চালু করার ঘোষণা দিয়েছে, যা গুগল ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম-এ বিগকুয়ারির সাথে সংহত করা যায়। অন্যান্য জিনিসের মধ্যে স্যুটটি “এন্টারপ্রাইজ শ্রেণীর বিপণনকারীদের” “সম্পূর্ণ গ্রাহক ভ্রমণ” দেখতে, “দরকারী অন্তর্দৃষ্টি” তৈরি করতে এবং “সঠিক ব্যক্তির কাছে আকর্ষক অভিজ্ঞতা সরবরাহ করা” সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের জ্যাক মার্শাল লিখেছেন যে স্যুটটি অ্যাডোব, ওরাকল, সেলসফোর্স এবং আইবিএম সহ সংস্থাগুলি দ্বারা বিদ্যমান বিপণন ক্লাউডের প্রস্তাবগুলির সাথে প্রতিযোগিতা করে।

কর্মী

২০১৩ সালে অধীনস্থ মোটরোলা কোম্পানীসহ সব মিলিয়ে গুগলে ৪৭,৭৫৬ জন কর্মী রয়েছে, যাদের মধ্যে ১০,০০০ হাজারেরও বেশি সফটওয়্যার ডেভেলপারগন রয়েছে ৪০টি অফিসে। ২০০৪ সালে কোম্পানীটি প্রথম শেয়ার বাজারে আসার পর এর প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন এবং ল্যারি পেজ এবং সিইও এরিখ স্কমিডট অনুরোধ করেন তাদের মূল বেতন যাতে এক ডলারে নামিয়ে আনা হয়। পরবর্তী সময়েও কোম্পানীর তরফ থেকে তাদের বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারটি মানা করা হয়। কারণ প্রাথমিকভাবে তাদের মূল বেতন আসত গুগলের শেয়ার থেকে। ২০০৪ সালের আগেই স্কমিডট $২৫০,০০০ আয় করেন প্রতি বছর এবং পেজ ও ব্রিন প্রত্যেকেই বার্ষিক বেতন পেতেন $১৫০,০০০।

২০০৭ এবং ২০০৮ সালের শুরুর দিকে, বেশ কিছু উচ্চ নির্বাহী গুগল ছেড়ে যান। ২০০৭ সালের অক্টোবরে ইউটিউবের প্রাক্তন প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা গিডিওন ইউ ও উচ্চ পদস্থ ইঞ্জিনিয়ার বেন্জামিন লিং ফেসবুকে যোগ দেন। ২০০৮ সালের মার্চে শেরিল স্যান্ডবার্গ তারপর বৈশ্বিক অনলাইন বিক্রয় এবং পরিচালনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ফেসবুকে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। একই সময়ে ব্র্যান্ড বিজ্ঞাপনের প্রধান অ্যাশ ইডিফ্রাউই নেটশপসে যোগ দেন। ২০১১ সালের, ৪ এপ্রিল ল্যারি পেজ সিইও এবং এরিখ স্কমিডট নির্বাহী চেয়ারম্যান হন। ২০১২ সালের জুলাইয়ে গুগলের প্রথম নারী কর্মী মারিসা মেয়ার ইয়াহুর সিইও হতে গুগল ছেড়ে যান। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুন্দর পিচাই গুগলের প্রধান কার্যনির্বাহী অফিসার বা সিইও নিযুক্ত হন।

নতুন কর্মীদের “নুগলারস” ডাকা হয় এবং কাজের প্রথম শুক্রবারে প্রপেলার বিনি নামক টুপি পরিধান করতে দেয়া হয়।
প্রেষণার কৌশল হিসেবে গুগল তাদের নীতি “উদ্ভাবন সময়” ব্যবহার করত। যেখানে গুগল ইন্জিনিয়ারগনদের উৎসাহ দেয়া হত যেন তারা তাদের কাজের ২০% সময় ঐসব প্রকল্প কাজ করেন যে সকল প্রকল্পে তারা আগ্রহবোধ করেন। গুগলের কিছু নতুন সেবা যেমন জিমেইল, গুগল সংবাদ, অরকুট এবং এডসেন্স এই নীতির কারণে উদ্ভাবিত হয়েছিল। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আলোচনায় মারিসা মেয়ার জানান তাদের ২০০৫ সালের দ্বিতীয়ভাগে নতুন উদ্ভাবিত পণ্যগুলোর অর্ধেকই এসেছে এই “উদ্ভাবন সময়” থেকে।
আর গুগল হচ্ছে প্রথম বড় প্রযুক্তি কোম্পানি যারা তাদের কর্মচারীদের বিনামূল্যে খাবার পরিবেশন করে। তা ছাড়া কর্মচারীদেরকে তাদের পোষা কুকুর অফিসে নিয়ে আসতে দেয়া হয়।

সূত্র : উইকিপিডিয়া,হিন্দিট্রাস্ .ইন