free hit counter
বিনোদন

বাংলা সেরা সব ধাঁধা ২০২২

ধাঁধার এই পোস্টে আপনাদের স্বাগতম। সম্মানিত ভিউয়াস,আপনার বুদ্ধিমত্তাকে বিকাশিত করার জন্য আজকের এই আর্টিকেলের আয়োজন করা হয়েছে। আপনারা নিশ্চয়ই ধাঁধা দিয়ে অন্যকে হারিয়ে দিয়ে নিজেই জিততে চান।

আসলে ধাঁধা ২০২২ খুবই ইন্টারেস্টিং বিষয়ের মধ্যে একটি। এখানে যতোটা না মজা পাওয়া যায়,তার চেয়ে কিন্ত বেশি জ্ঞান অর্জিত হয়। ধাঁধার ২০২২ আসর বসলে যেনো কোনো ক্রমেই শেষ হতে চায় না। একটি পর একটি চলতেই থাকে,এখানে সবারই টার্গেট থাকে অন্যকে হারিয়ে দেওয়া। আর আপনাদের ধাঁধার সব রকমের প্রশ্ন এবং উত্তর উভয়েই দেওয়া আছে এই আর্টিকেল জুড়ে।

১। “আল্লাহর তৈরী রাস্তা, তৈরি করতে মানুষের সাধ্য নেই। হরেক রকম নাম তার বলোতো কি জিনিষ তা”?
সমাধানঃ রংধনু

২। “কোন প্রাণী বল দেহি ছয় ছয় পায়ে হাঁটে, ঘুরতে তাকে তোমরা দেখো যেথায় খুশি পথে ঘাটে”।
সমাধানঃ পিঁপড়া

৩। “আল্লাহর কি কুদরত, লাঠির মধ্যে শরবত”।
সমাধানঃ ইক্ষু

৪। “আল্লাহর তৈরী পথ, সাত রঙ্গে সৃষ্টি, কভু কভু দেখা যায়, হয় যদি বৃষ্টি”।
সমাধানঃ রংধনু।

৫। “রাত্রিকালে আঁধারেতে যার যার ঘরে, তার বাড়িতে সকল লোকে কান্নাকাটি করে”।
সমাধানঃ চোর।

৬। “তিন অক্ষরে নামটি তার আছে সবার ঘরে, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে খেতে ইচ্ছে করে। মাঝের অক্ষর উড়ে গেলে বাজে সুরে সুরে”।
সমাধানঃ বিছানা

৭। “পাখা নাই উড়ে চলে মুখ নাই ডাকে
বুক ছিড়ে আলো ছোটে চিনো কী তারে”?’
– বলুন তো কী?
সমাধানঃ উড়োজাহাজ

৮। “‘এক হাত গাছটা ফল ধরে পাঁচটা” – বলুন তো কী?
সমাধানঃ হাত

৯। “হাত আছে পা নাই মাথা তার কাটা,
আস্ত মানুষ গিলে খায় বুক তার ফাটা।”
– বলুন তো কী?
সমাধানঃ শার্ট।

১০। “কাটলে বেড়ে যাবে, সব শেষে জল পাবে।”
সমাধানঃ পুকুর

১১। “আছে কল, আছে জল, মাটি, পাতা রস
অনল, পবন, ধুম্র সবার পরশ।
মুখে মুখে কহে কথা, এক বোল বলে
না চুমিলে রহে চুপ, হাতে মুখে চলে।”
সমাধানঃ সাজানো হুক্কা

১২। “আমি যাকে মামা বলি বাবাও বলে তাই,
ছেলেও তাকে মামা বলে, মাও বলে তাই।”
– কাকে সবাই মামা বলে?
সমাধানঃ চাঁদ

১৩। “আগে পিছে নাতি নিয়ে থাকে অবিরাম,
মানুষ সে নয় ভাই সুস্বাদু একটি ফল।”
সমাধানঃ নাশপাতি

১৪। “আমি যাকে মামা বলি বাবাও বলে তাই,
ছেলেও তাকে মামা বলে, মাও বলে তাই।”
– কাকে সবাই মামা বলে?
সমাধানঃ চাঁদ

১৫। “উড়তে পেখম বীর, ময়ূর সে নয়।
মানুষ খায় গরু খায়, বাঘ সে নয়।”
সমাধানঃ মশা

১৬। “মন একটা গাই আছে, যা দেই তাই খায়
কিন্তু পানি দিলে মরে যায়।”
সমাধানঃ আগুন

১৭। “আমাকে না পেলে, সবাই করে হায় হায়,
ইচ্ছামতো আসি যদি, দেয় আমাকে বিদায়।”
সমাধানঃ পানি

১৮। “এক ঘরে এক থাম।
বলো তার কী নাম?”
সমাধানঃ ছাতা

১৯। “একবার জন্মায়, আবার মরে
আবার জন্মায়, তারপর মরে।
এই মরা শেষ মরা, ঘুমিয়ে পড়ে।”
সমাধানঃ দাঁত

২০। “পোলা কালে বস্ত্রধারী যৌবনে উলঙ্গ,
বৃদ্বকালে জটাধারী, মাঝখানে সুড়ঙ্গ।”
সমাধানঃ বাঁশ

২১। “কালিদাস পণ্ডিতে কয় বাল্যকালের কথা,
নয় হাজার তেঁতুল গাছে কয় হাজার পাতা?”
সমাধানঃ আঠার হাজার পাতা

২২। “অনেক সাগর দেখলে ভাই জলে নানা রং কোন সাগরে আছে বল শুধু লাল রং বলতে হবে কোন সাগর সমাধান লোহিত সাগর
অনেকেই খায় না কিছু লোক খায়। বন্ধুদের না খাওয়ালে মানহানি হয়।”
“ বলতে হবে কি সেটা”
সমাধানঃ সিগারেট

২৩। “আম নয় জাম নয়, গাছে নাকি ধরে। সব লোকে ফল বলে, জানে শুধু তারে। বলতে হবে কি সেটা”
সমাধানঃ পরীক্ষার ফল

২৪। “ অর্ধেক শরীর সোনার হল, কে সে লোক ভেবে বল। বলতে হবে কে সে লোক”
সমাধানঃ আনারস

২৫। “কালো মুখো পুত যার বুকে আঘাত করে, কিন্তু মায়ের অভিশাপে জ্বলে পুড়ে মরে।”
সমাধানঃ দিয়াশলাই

২৭। “কায়াস্থা অস্ত্র ছাড়া, পাঠা ছাড়লো পা। লবঙ্গ বঙ্গ ছাড়া, এনে দেব তা।”
সমাধানঃ কাঁঠাল

২৮। “অর্ধচন্দ্র সমাকার দেহের গঠন, গাছপালা কাটতে সে সদা সর্বক্ষণ।”
বলতে হবে কি সেটা
সমাধানঃ কাস্তে

২৯। “কাজ করি সুর দিয়ে নই আমি হাতি, আর পরের উপকার করি খাই আমি লাথি।”
বলতে হবে কি সেটা
সমাধানঃ ঢেঁকি

৩০। “কোটকাছারী তে বিচার শুনি, জন্ম আমার বনে। সবাই আমার পেটে বসে, কষ্ট পাই মনে।”
ইন্টারেস্টিং ধাঁধা সমাধানটা কি হবে বলুন তো
সমাধানঃ চেয়ার

৩১। “আমি যারে আনতে গেলাম, তাকে দেখে ফিরে এলাম। সে যখন চলে গেল, তখন তারে নিয়ে এলাম।”
বলুনতো কি আনতে গিয়ে কি দেখল?
সমাধানঃ বৃষ্টি ও পানি

৩৩। “কোমর ধরে শুইয়ে দাও, কাজ যা করার করে নাও।”
সমাধানঃ শিলপাটা

৩৪। “কথা যদি বলি আমি, তোমার মাথায় রাখ। কথার উল্টো পড়লে,তোমার মাথায় থাক।”
সমাধানঃ কথা

৩৫। “আমার ঘাড় আছে কিন্তু মাথা নেই, আমার দুটি বহু আছে কিন্তু হাত নেই, বলো তো আমি কে?”
সমাধানঃ জামা

৩৬। “এটি পালকের মতো হালকা, তবুও কেউ এটিকে বেশি সময় অব্দি ধরে রাখতে পারেনা। বলো তো এটি কি?”
‘সমাধানঃ তোমার নিঃস্বাশ’

৩৮। “তার মাংস, পালক, আঁশ বা হাড় নেই। তবুও তার নিজস্ব আঙুল রয়েছে। সে কে বলো তো?”
‘সমাধানঃ হাতমোজা

৩৯। “প্রতিটি দিকে কী নির্দেশ করতে পারে তবে নিজে সেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে না। বলতে হবে কি সেটা?”
সমাধানঃ আঙ্গুল

৪০ “ছয়টি মুখ আছে তবে মেকআপ করে না, একুশটি চোখ আছে তবে দেখতে পায় না। বলতে হবে কি সেটা?”
সমাধানঃ পাশা লুডো খেলার গুটি

৪২। “এটা তোমার, কিন্তু অন্যান্য লোকেরা এটি আপনার চেয়ে বেশি ব্যবহার করে? বলতে হবে কি সেটা?”
‘সমাধানঃ তোমার নাম’

৪৪। “সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার বা রবিবার শব্দটি ব্যবহার না করে তুমি কি টানা তিন দিনের নাম বলতে পারবে?”
সমাধানঃ গতকাল, আজ এবং আগামীকাল

৪৫। “নদী আছে জল নেই, জঙ্গল আছে গাছ নেই, শহর আছে ঘর নেই, বলতে হবে কি সেটা?”
সমাধানঃ নকশা’

৪৬। “আমি নোংরা হয়ে গেলে আমি সাদা, আমি যখন পরিষ্কার থাকি তখন কালো। আমি কি?”
‘সমাধানঃ বিদ্যালয়ে লিপির জন্য তক্ত(ব্ল্যাকবোর্ড)’

৪৭। “তোমার কাছে আছি আজ,কাল আরও পাবে আমাকে, যেমন সময় কেটে যায়,আমাকে ধরা সহজ নয়,বেশি জায়গা গ্রহণ করিনা শুধু এক জায়গায় থাকি, তুমি যা দেখেছ আমি তা, তবে যা দেখছে তা নয়।” তাহলে আমি কে? বলতে হবে।
সমাধানঃ স্মৃতি

৪৯। “তুমি যখন আমায় কেন আমি তখন কালো, তুমি যখন আমায় বেবহার করো আমি তখন লাল, তুমি যখন আমায় ফেলে দাও আমি তখন ধূসর, বলো আমি কে?
সমাধানঃ কাঠকয়লা

৫০। “আমার শাখা আছে তবে ফল, কাণ্ড বা পাতা নেই।” বলো তো আমি কি?
সমাধানঃ ব্যাঙ্ক/নদী

৫১। “এক যে আছে কালো জঙ্গল, তার মাঝে একটি রানী, রক্ষা করে ৩২টা সৈনিক, বোলো সেটা কি?
সমাধানঃ’মুখ’

৫২। “ছোট বেলায় লম্বা, বড় হলে বেটে, বলো আমি কে ?
সমাধানঃ মোমবাতি’

৫৩। “তিন অক্ষর নাম আমার, মাঝের অক্ষর বাদ দিলে খেতে বড় মিষ্টি আমি।” বলো তো আমি কে?
সমাধানঃ চিরুনি’
“কি তুমি ভাঙতে পারো, না তুলে না ফেলে”?
সমাধানঃ ‘প্রতিজ্ঞা’

৫৪। “আমি একটি খনি থেকে এসেছি এবং সর্বদা কাঠ দ্বারা ঘিরে থাকি। সবাই আমাকে ব্যবহার করে।” আমি কি?
সমাধানঃ পেন্সিল সীস

৫৫। “কি কথা বলতে পারে না তবে কথা বললে উত্তর দেবে?”
সমাধানঃ প্রতিধ্বনি

৫৬ “আমার উপরে এবং নীচে আমার বাম এবং ডানদিকে এবং মাঝখানে ফুটো রয়েছে। কিন্তু আমি তবুও জল ধরতে পারি”। বলো তো আমি কি?
সমাধানঃ স্পঞ্জ

৫৭। এই ঘরে যাই, ওই ঘরে যাই দুম দুমিয়ে আছাড় খাই।

উত্তর : ঝাটা

৫৮। সর্প বটে তার চারটি পা ডিম দেয় না, বাচ্চা দেয়?

উত্তর: গুইসাপ ।

৫৯। জনম গেল দুখে বুকে আবার আগুন দিয়ে থাকো অনেক সুখে।

উত্তর: হুকো ।

৬০। কাল আমাকে মেরে ছিলে সয়ে ছিলাম আমি, আজ আমায় মারাে দেখি কেমন বেটা তুমি।

উওর: মাটির হাড়ি।

৬১। আমার মা যখন যায় তােমার মার পাশে , দুই মা হারিয়ে যায় নানার পুত্র হয় শেষে।

উত্তর: মামা

৬২। কম দিলে যায় না খাওয়া বেশি দিলে বিষ, বলেছে, বুঝে শুনে তার পরেতে দিস। মা

উওর: লবণ।

৬৩। চার পায়ে বসে, আট পায়ে চলে রাক্ষস নয়, খােক্ষস নয় আস্ত মানুষ গিলে।

উওর: পালক।

৬৪। যে মুখে খায়, সেই মুখে হাগে এই প্রাণি নিত্য রাত জাগে।

উত্তর: বাদুর ।

৬৫। ঢাক গুড় গুড়, ঢাক গুড় গুড় ঢাক গুড় গুড় করে বলপুরেতে আগুন লেগেছে কেউ না নিভাতে পারে।

উত্তর: সূর্য।

৬৬। হাত দিলে বন্ধ করে সূর্যদোয়ে খােলে ঘােমটা দেওয়া স্বভাব তার মুখ নাহি তােলে।

উত্তর: লজ্জাবতী লতা ।

৬৭। এমন একটি কাপের নাম বলো দেখি ভাই। যে কাপেতে চা চিনি দুধ পানি একটুও নাই।’

উত্তর: বিশ্বকাপ

৬৮। ‘একটি শহরের নাম, যা খোলা নয়। কিন্তু সত্যি তা নয়, না বলতে পারলে সবাই বোকা কয়।’

উত্তর: খুলনা

৬৯। এমন একটা দেশ চাই, যে দেশে মাটি নেই। এমন আজব দেশের নাম,কি বলো তো ভাই।’

উত্তর: সন্দেশ

৭০। অনেক সাগর দেখলে ভাই জলে নানা রং। কোন সাগরে আছে বলাে শুধু লাল রং। বলতে হবে কোন সাগরে?

উঙর: লােহত নাগর

৭১। বহু দাঁত রয়েছে কিন্তু কোনো কিছু খায় না, জিনিসটি কি?
উত্তর: চিরুনি

৭২। কোন জিনিসটির বাইরের দিকের অংশ খেয়ে ভেতরের অংশটি আমরা ফেলে দেই?
উত্তর: ভুট্টা

৭৩। আপনি যে ভাষায়ই কথা বলেন না কেন, সব ভাষাতেই জবাব দিতে পারে কে?
উত্তর: প্রতিধ্বনী

৭৪। একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসে বিশ্বের সব স্থানে ভ্রমণ করে কে?
উত্তর: ডাকটিকিট

৭৫। অল্প বয়সে লম্বা থাকলেও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছোট হয়ে যায় কে?
উত্তর: মোমবাতি

৭৬। একটি বল কিভাবে ছোড়া যায় যেন আবার হাতে ফিরে আসে?
উত্তর: ওপরের দিকে

৭৭। আপনার কোন জিনিসটি অন্যরা সর্বদা ব্যবহার করে?
উত্তর: নাম

৭৮। বহুদিন না ঘুমিয়ে একজন মানুষ কিভাবে বাঁচতে পারে?
উত্তর: রাতে ভালোভাবে ঘুমালেই হবে

৭৯। উঁচু কিংবা নিচু যাই হোক না কেন, একটি নির্দিষ্ট জায়গাতেই থাকে কী?
উত্তর: রাস্তা বা পথ,

৮০। কোন জিনিস কাটলে বাড়ে?
উত্তর: পুকুর