Image default
প্রযুক্তি

মহাকাশে প্রথম খুলছে ‘স্পেস হোটেল’! যাবেন নাকি পরিবার নিয়ে জেনে নিন খরচপাতি

একদিনে প্রতি দেড় ঘণ্টা অন্তর পৃথিবী পরিক্রমা করতে চান? দিনে ১৬বার সূর্যগ্রহণ ও সূর্যাস্ত দেখতে চান? যদি প্রতিবেদনের শুরুতেই মনে করেন প্রলাপ বকা হচ্ছে, তাহলে অবাক হওয়ার এখনও অনেক বাকী রয়েছে। কারণ মহাকাশে খুলতে চলেছে বিশ্বের প্রথম হোটেল। ধরাধামে যেমন গাঁটের কড়ি খরচ করে হোটেলে থাকেন, ঠিক সেভাবেই মহাকাশে গাঁটের কড়ি খরচ করে নিশ্চিন্তে কয়েকদিন থেকে আসা এবার সম্ভব হতে চলেছে কয়েকবছরের মধ্যেই।

মহাকাশে প্রথম খুলছে 'স্পেস হোটেল

চাইলে এবং ‘ট্যাঁক’ সইলে সেখানে গিয়ে একটু মুরগি, মটন, নান, পোলাও খেয়ে আসতে পারেন। শুধু এটুকুই নয়, আরও অনেক কিছুই এই বিশেষ রেস্তরাঁয় আপনি পাবেন যা চমকে দেওয়ার মতো।
আপনি কী উইক এন্ডে একটু হোটেল রেস্তরাঁয় খাওয়া দাওয়া করতে ভালোবাসেন? তা হলে এই খবরটা কি রেখেছেন যে মহাকাশে রেস্তোরাঁ তৈরি হচ্ছে। চাইলে এবং ‘ট্যাঁক’ সইলে সেখানে গিয়ে একটু মুরগি, মটন, নান, পোলাও খেয়ে আসতে পারেন। শুধু এটুকুই নয়, আরও অনেক কিছুই এই বিশেষ রেস্তরাঁয় আপনি পাবেন যা চমকে দেওয়ার মতো। প্রজেক্টের নাম ‘আউট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’। ভয়জার স্পেস ষ্টেশন এটি তৈরি করছে।

২০২৭ সালের মধ্যে এই ‘আউট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’ হোটেল তৈরি হয়ে যাবে বলে জানা গিয়েছে। একসঙ্গে ৪০০ মানুষ সেখানে গিয়ে খানা পিনা সারতে পারবেন। ঘটনা হল, মহাকাশের হোটেলে গিয়ে খাওয়া দাওয়া সেরে বাড়িতে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম এমন তো হওয়া সম্ভব নয়। তাই আপনাকে ওখানে থাকতে হবে। নুন্যতম দিন চারেক। তাই হোটেলে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। আর ভাবুন না, কয়েক ‘আলোকবর্ষ’ দূরে গিয়ে একটু যদি নাই থাকলেন, এ মহাবিশ্বের শোভা যদি একটু পরখ করে নাই দেখলেন তাহলে আর কি হল? সঙ্গে আবার সিনেমাহল , বার, কনসার্টের জায়গা, লাইব্রেরী, জিম সবকিছুই থাকবে। অর্থাৎ টোটাল এন্টারটেনমেন্ট ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। চাইলে শান্ত মনে বই পড়তেও পারবেন , খান কুড়ি ডন বৈঠকও দিতে পারবেন সকালে ঘুম থেকে উঠে। এসব কাজ সেরে আপনি দেখতে পারবেন পৃথিবীর শোভা। আমাদের এখানে পুরী দিঘার হোটেলে যেমন হয়, যে সমুদ্রমুখী ঘর, কিংবা দার্জিলিঙে কাঞ্চনজঙ্ঘামুখী ঘর , তেমনই এখানে মিলবে পৃথিবীমুখী লাউঞ্জ। সেখানে এসে দাঁড়িয়ে আপনি নীল গ্রহের রূপের ছটা উপভোগ করতে পারবেন।

ভয়জার স্পেস হোটেলটি বানাচ্ছে অরবাইটাল অ্যাসেম্বলি কর্পোরেশন। সংস্থা জানিয়েছে, হোটেল তৈরির কাজ শুরু হবে ২০২৫ সালে। মানুষের জন্য তা রেডি হয়ে যাবে ২০২৭ সালের মধ্যে। কৃত্রিম অভিকর্ষশক্তিও এখানে তৈরি করতে হবে ওই ‘ফিল লাইক হোম’ অনুভূতি তৈরির জন্য, কারণ স্পেসে তো আপনি সাধারণভাবে হেঁটে চলে ঘুরে বেরাতে পারবেন না। একটু ভেসে ভেস যেতে হবে। তাই এই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
সবই তো হল। ‘খরচা ‘কত? এত মৌজ মস্তি যে করবেন মহাকাশে গিয়ে কত গ্যাঁটের কড়ি খসবে? বেশি নয় সাড়ে তিন দিনে ওই ৫ মিলিয়ন দিলেই হবে। ৩৬ কোটি। পরতায় পোষালে চলুন।

Related posts

মোবাইলে সর্বপ্রথম কথা বলেছিলেন কোন দুইজন, কি কথা হয়েছিলো তাদের মধ্যে?

News Desk

বিশ্বের বৃহত্তম রেডিও টেলিস্কোপ তৈরী করছে অস্ট্রেলিয়া

News Desk

দাম কমতে কমতে এখন সবচেয়ে সুলভ শক্তির উৎস সৌরবিদ্যুৎ

News Desk

Leave a Comment