free hit counter
মঙ্গলে তৃতীয়বার উড়ল নাসার মার্স হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি
প্রযুক্তি

মঙ্গলে তৃতীয়বার উড়ল নাসার মার্স হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি

মঙ্গলে তৃতীয়বার সফলভাবে উড়ল নাসার হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি। যত দিন যাচ্ছে এই হেলিকপ্টার তত দ্রুতগামী হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে নাসা। প্রতি সেকেন্ডে ৬.৬ ফিট উড়ছে এই হেলিকপ্টার।

মঙ্গলে ২ বার প্রাথমিকভাবে ওড়ার পর লালগ্রহে তৃতীয়বার উড়ল ইনজেনুইটি। তৃতীয়বারের জন্য ওড়ার পর এটি ৬৪ ফিট বা ৫০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত গিয়েছে। প্রতি সেকেন্ডে ৬.৬ ফিট পথ অতিক্রম করেছে। অর্থাৎ এক ঘণ্টায় এটি যেতে পারবে ৪ মাইল। ইনজেনুইটির প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ দাভে ল্যাভিরে জানিয়েছেন, “আজকের উড়ানটি আমরা যা পরিকল্পনা করেছিলাম, তা সম্ভব করেছে। তবে এক্ষেত্রে আশ্চর্যের কিছু ছিল না।” পারসেভেব়্যান্স রোভারের মাধ্যমে ইনজেনুইটিকে পাঠানো হয়েছিল মঙ্গলে। এর ওজন ৪ পাউন্ড। তৃতীয় বার ইনজেনুইটি ৮০ সেকেন্ড উড়েছে। মঙ্গলের অনেক কিছু রেকর্ড করেছে সে। সেগুলি খুব শীঘ্রই পৃথিবীতে পাঠানো হবে।

হেলিকপ্টারের উড়ান নিজস্ব নেভিগেশন ব্যবস্থার জন্য একটি পরীক্ষা ছিল। এটি পূর্বে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী রুটটি সম্পূর্ণ করে। নাসা এই বিষয়ে জানিয়েছে, “যদি ইনজেনুইটি খুব দ্রুত ওড়ে তবে এটি মঙ্গলের পৃষ্ঠের বৈশিষ্ট্য ট্র্যাক করতে পারবে না।”এর উড়ান যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। কারণ পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গলের পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। পৃথিবীর থেকে এর ঘনত্ব অনেক কম। এর অর্থ হ’ল চারু ফুট দৈর্ঘ্যের ইনজেনুইটিকে উড়তে গেলে রোটারগুলিকে প্রতি মিনিটে ২,৪০০ পাক ঘুরতে হবে। যা পৃথিবীর হেলিকপ্টার থেকে প্রায় পাঁচগুণ। নাসা জানিয়েছে ইনজেনুইটি এখন চতুর্থবার ওড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কিছুদিন আগেই হেলিকপ্টার ইনজেনুইটির ছবি প্রকাশ করেছে নাসা। তবে এই হেলিকপ্টারের মঙ্গলে রাত্রিযাপন তার ক্ষেত্রে কেমন হবে সেটাই দেখার। যদিও এর মধ্যস্থ হিটার একে ৪৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় রাখে। কিন্তু মঙ্গলে তাপমাত্রা রাতের দিকে মাইনাস ১৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমে যায়। তাই ইনজেনুইটিকে নিয়ে চিন্তা রয়েছে বৈকি! পৃথিবীর মাটির চেয়ে মঙ্গলের মাটিতে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে উড়ে যাওয়া পৃথিবীতে উড়ানের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন। এর মাধ্যাকর্ষণ থাকলেও তা পৃথিবীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এছাড়া এর বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মাত্র ১ শতাংশ। পৃথিবীতে দিনের বেলা যতটা এনার্জি আসে মঙ্গলে তার প্রায় অর্ধেক পরিমাণ সৌরশক্তি প্রাপ্ত হয়। রাতে এর তাপমাত্রা মাইনাস ১৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কখনও এর নিচেও নেমে যেতে পারে যা। যার ফলে সুরক্ষিত বৈদ্যুতিক উপাদান ক্র্যাক করতে পারে।

Related posts

যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু, ২০ কূটনীতিক বহিষ্কার

News Desk

সেনা প্রত্যাহারের পর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের সাহায্য পাবে না কাবুল

News Desk

বিশ্বজুড়ে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৮৬৫২ জনের মৃত্যু

News Desk