free hit counter
খেলা

মামলার পর থেকে ‘পলাতক’ ক্রিকেটার আল আমিন

২০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকে গাঁ ঢাকা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার আল আমিন হোসেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর তাকে গ্রেফতারে পুলিশের একটি টিম মিরপুর ২ নম্বর সেকশনের ২ নম্বর রোডের ১০ নম্বর প্লটের নয় তলা ভবনের ৭/ডি নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযানে গেলেও তার আগেই পালিয়ে যান আল আমিন। তবে আল আমিন আরেকটি বিয়ে করে সেখানেই দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকছেন বলে প্রথম স্ত্রীর পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে। 

এদিকে, আল আমিনকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মিরপুর থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান। 

আল আমিনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) লিখিত অভিযোগ দিবেন বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী ইসরাত জাহান। অভিযোগ জমা দিয়ে মিরপুর স্টেডিয়ামের গেটে মানববন্ধন করারও কথা রয়েছে স্বজনদের।



আল আমিনের স্ত্রী ইসরাত জাহানের মামা মো. সাঈদ বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই আল আমিন পলাতক। বাসা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর আর বাসায় ফেরেননি। তাকে ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে পুলিশ খুঁজলেও এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। 

জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিরপুর থানার এসআই মো. সোহেল রানা জানান, ২০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন, মারধর ও বাচ্চাসহ বের করে দেওয়ার অভিযোগে এজাহারভুক্ত আসামি আল আমিন হোসেন পলাতক। তার বাসায়ও পাওয়া যায়নি। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

আল আমিনের স্ত্রী ইসরাত জাহান অভিযোগ করেছেন, তারা মিরপুরের যে ফ্লাটে থাকেন সেটির মূল্য পরিশোধের জন্য আল আমিন তার বাবার বাসা থেকে ২০ লাখ টাকা আনতে বলেন। ২০ লাখ টাকা না দিলে তাকে ফ্ল্যাটে থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন। গত ২৫ আগস্ট মারধর করে বাসা থেকে বাচ্চাসহ তাকে বের করে দেন। এরপর মিরপুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন ইসরাত। 



আল আমিনের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়ে ইসরাত জাহান বলেন, ‘ওই মেয়ের সঙ্গে আল আমিনের বিয়ে হয়েছে কি না, তা জানি না। কাবিননামাও পাইনি। তবে ওই মেয়ের সঙ্গে আল আমিনের অনেক ছবি আছে।’ 

তিনি বলেন, ‘দুটো বাচ্চা নিয়ে আমি এখন কোথায় যাবো? আমার এখন একটাই চাওয়া, বাচ্চাদের নিয়ে যেন ভালোভাবে সংসার করতে পারি।’

ইসরাত জাহানের মামা মো. সাঈদ বলেন, ‘দুই বছর ধরে ক্রিকেটার আল আমিন হোসেন আমার ভাগনিকে নির্যাতন করতেন। এর আগেও থানায় নির্যাতনের অভিযোগে জিডি করা হয়েছিল।’

Source link