free hit counter
বেলজিয়ামকে বিদায় করে সেমিতে ‘অপ্রতিরোধ্য’ ইতালি
খেলা

বেলজিয়ামকে বিদায় করে সেমিতে ‘অপ্রতিরোধ্য’ ইতালি

ইতালির অপরাজেয় যাত্রা থামাতে পারল না ফিফা র্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল বেলজিয়ামও। এলিয়েঞ্জ এরেনায় দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে রবার্তো মানচিনির দল।

এ নিয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রেকর্ড টানা ৩২ ম্যাচ অপরাজিত রইলো ইতালি। অন্যদিকে অন্যতম হট ফেবারিট হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করা বেলজিয়ামের স্বপ্নযাত্রা থামলো কোয়ার্টার ফাইনালেই। দুই দলের শুরুটা অগোছালো হলেও এরপর আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে উঠে ম্যাচ। ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল ইতালির।

লরেঞ্জো ইনসিনিয়োর নিচু ফ্রি-কিক পেনাল্টি এরিয়ায় পেয়ে ফ্লিক করেন ডি লরেঞ্জো। থ্রো বল পেয়ে জালে জড়িয়েছিলেন লিওনার্দো বোনুচ্চি। কিন্তু ভারে অফসাইড চেক করে গোল বাতিল করে দেন রেফারি।

২২ মিনিটে বেলজিয়ামের কেভিন ডি ব্রুইন বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন প্রতিপক্ষের বক্সে। তার বাঁ পায়ের জোরালো শট ঝাঁপিয়ে পড়ে এক হাতে বের করে দেন ইতালিয়ান গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারোমা। তিন মিনিট পর লুকাকুর ঠিক একইরকম শট একইভাবে এক হাতে ফেরান তিনি।

ম্যাচের আধা ঘন্টা পার হওয়ার পর লিডের দেখা পায় ইতালি। সেট পিস থেকে মার্কো ভেরাত্তির অ্যাসিস্টে বল পেয়ে বক্সের মধ্যে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দারুণ এক গোল করেন নিকোলো বারেলা।

৪৪ মিনিটে দলকে ২-০ গোলে এগিয়ে নেন ইনসিনিয়ো। বক্সের অনেক বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়াকে পরাস্ত করে তাক লাগিয়ে দেন নাপোলি ফরোয়ার্ড। কর্তোয়া লাফ দিলেও ডান দিকের ওপরের কর্নার দিয়ে পোস্টের ভেতরে ঢুকে যায় বল।

পিছিয়ে পড়া বেলজিয়ামের সুযোগ আসে একটু পরই। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সের ডানদিকে বিপজ্জনক জায়গায় জেরেমি ডকুকে ফেলে দেন ডি লরেঞ্জো। ভার চেক করে পেনাল্টি দেন রেফারি। লুকাকু সহজেই করেন লক্ষ্যভেদ।

দ্বিতীয়ার্ধেও সেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলেছে। ৬১ মিনিটে সমতায় ফেরার সবচেয়ে বড় সুযোগটি নষ্ট করেন লুকাকু। ডকু ক্ষিপ্রগতিতে বল নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন বক্সের কাছে। পাস দেন কেভিন ডি ব্রুইনকে।

বাঁ দিক থেকে ব্রুইন দূরের পোস্টে ক্রস করেন লুকাকুর কাছে। লুকাকু বল পেয়েও যান, কিন্তু সেটি পায়ে লাগিয়েও খালি পোস্টে জড়াতে পারেননি। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল চলে যায় বাইরে। ইতালি এরপর বেশ কয়েকটি আক্রমণ করেছে। কিন্তু থিবো কর্তোয়া দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে যান। একের পর এক আক্রমণ সামলে নেন বেলজিয়ান গোলরক্ষক।

ইতালি গোলরক্ষক ডোনারোমাকেও কম পরীক্ষায় পড়তে হয়নি। প্রতি আক্রমণে সুযোগ তৈরি করে বেলজিয়াম। ৭১ মিনিটে বদলি নাসের চাদলির ক্রস লাফিয়ে ওঠে একটুর জন্য মাথায় লাগাতে পারেননি লুকাকু, তাকে পার হয়ে বল থরগান হ্যাজার্ডের পায়ের কাছ দিয়ে গেলে তিনিও মিস করেন। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের হার নিয়েই বিদায়ের রাস্তা ধরতে হয়েছে নাম্বার ওয়ানদের। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে আগামী ৬ জুলাই টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে ইতালির প্রতিপক্ষ স্পেন।

Related posts

ইউরোয় আবারও বেলজিয়ামের সহকারী কোচ অঁরি

News Desk

‘পেদ্রির মতো আর কেউ পারেনি’

News Desk

চীনের বিরুদ্ধে একাট্টা হওয়ার ডাক ন্যাটোর

News Desk
Bednet steunen 2023