free hit counter
খেলা

বাঁচা-মরার ম্যাচে শুরুর ধাক্কা সামলে রোহিতের পাল্টা আক্রমণ

আজকের ম্যাচে হারলে এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষই হয়ে যাবে বলা যায় ভারতের জন্য। এমন ম্যাচেই কিনা টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার লোকেশ রাহুলকে হারিয়ে চাপেই পড়ে গেলো ভারত।

দুবাইয়ের স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় মাঠে নেমেছে দুই দল। টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা।

ওপেনিংয়ে নেমে শুরুটা বেশ দেখেশুনেই করেছিলেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা আর লোকেশ রাহুল।  দিলশান মাদুশাঙ্কার প্রথম ওভার থেকে আসে মাত্র ৪ রান।

মহেশ থিকসানার দ্বিতীয় ওভারের প্রথম তিন বলে তিন সিঙ্গেল নেয়ার পর চতুর্থ বলে বলকে বাউন্ডারি ছাড়া করেন রাহুল। তবে ঠিক পরের বলেই যেন বাউন্ডারির প্রতিশোধটা নিয়ে নেন থিকসানা। রাহুলের পায়ে বল লাগলে লেগ বিফোরের আবেদন করেন লঙ্কানরা। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে আউট দিয়েও দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েছিলেন ভারতীয় ওপেনার, তবে ব্যর্থ হয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।  ৭ বলে ৬ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন রাহুল।



ঠিক পরের ওভারেই আরেকটি ধাক্কা খায় ভারত। দীর্ঘদিন ফর্মে না থাকার পর এবার এশিয়া কাপের শুরু থেকেই ব্যাটে রান ফেরানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। গত দুই ম্যাচে টানা ফিফটিও তুলে নিয়েছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক। তবে আজ কোহলিকেও ফিরতে হয়েছে খালি হাতেই। ক্রিজে এসে ৫ বল খেলে মাদুশাঙ্কার বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন কোহলি। মাত্র ১৩ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বেশ বিপদে পড়ে যায় ভারত।

শুরুতেই ২ উইকেট হারানো ভারতের ব্যাটিংইয়ে হাল ধরেন অধিনায়ক রোহিত আর সূর্যকুমার যাদব। চামিকা করুণারত্নের চতুর্থ ওভারে রোহিতের একটি চারসহ ৭ রান তুলে নেয় ভারত। পঞ্চম অভার করতে আসা আশিথা ফার্নান্দোর ওপরও চড়াও হন রোহিত। পরপর দুই বলে ছয় আর চারের সাথে ফার্নান্দোর ওভার থেকে ১৪ রান তুলে নেয় ভারত।

পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারটি করতে আসেন মহেশ থিকসানা। রোহিত এবার আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেন তার ওপরও। থিকসানার করা দ্বিতীয় বলেই স্কয়ার লেগ দিয়ে বলকে বাউন্ডারি ছাড়া করেন রোহিত। এই ওভার থেকে আসে ৮ রান।  

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পাওয়ার প্লে’র ৬ অভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৪৪ রান। ৩ চার আর ১ ছয়ে ১৮ বলে ২৯ রানে নিয়ে ক্রিজে আছেন রোহিত শর্মা, আর ৭ বলে ৬ রান নিয়ে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন সূর্যকুমার।

Source link