free hit counter
খেলা

ফুটবল মাঠে হার্ট আট্যাকে যত মৃত্যুর ঘটনা

এবারের ইউরো ফুটবলে ফিনল্যান্ড বনাম ডেনমার্ক ম্যাচে ড্যানিশ মিডফিল্ডার ক্রিসটিয়ান এরিকসেন হঠাত হৃদরোগ আক্রান্ত হন। সকলের সর্বাত্মক চেষ্টায় তিনি এই যাত্রায় বেচে যান। তিনি সৌভাগ্যবান হলেও অনেকের ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। মাঠেই ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। এমনই কিছু খেলোয়াড়দের কথাই বলবো আজ।

ফুটবলে মৃতদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত খেলোয়াড় ভিভিয়ান ফো। তিনি ম্যানচেষ্টার সিটির হয়ে খেলতেন। ২০০৩ সালে ক্যামেরুন জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় মাঠের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মারা যান। সেভিয়ার স্পানিশ ডিফেন্ডার আন্তোনিয়ো পুয়ের্তা খেলার ৩৫ মিনিটে হার্ট আট্যাকের শিকার হন। তিন দিন লড়াইয়ের পর তিনি মারা যান মাত্র ২২ বছর বয়সে। ফিল ও’ডনেল সাবস্টিটিউট হওয়ার ঠিক আগের মুহুর্তে মাঠে পড়ে যান।

মাত্র ৩৫ বছর বয়সী এই স্কটিশ খেলোয়াড় প্রিমিয়ার লীগে খেলতেন। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে তিনি মারা যান হার্ট আট্যাকে। ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়রের মৃত্যু ছিলো সবচেয়ে ট্রাজিক। তিনি খেলতেন গোয়ার ক্লাব ডেমপোতে। ২০০৪ সালে মোহনবাগানের বিপক্ষে ম্যাচে তার গোলকীপারের সাথে ধাক্কা লাগে।

এরপরে যে তিনি মাঠে পড়ে যান আর কোনদিনই উঠতে পারেননি। মাঠে কোনও ডাক্তার না থাকায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মাত্র ২৫ বছর বয়স হয়েছিলো তার। চিক তিতে ছিলেন আইভরিকোষ্ট এর খেলোয়াড়। তিনি প্রিমিয়ার লীগে নিউক্যাসল ইউনাইটেডে খেলতেন। তিনি চীনে সুপারস্টারে পরিণত হন। ট্রেনিং চলাকালীন সময়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। এরপরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানানো হয়।

ফুটবল মাঠে খেলোয়াড়দের হার্ট আট্যাকের ঘটনা নতুন নয়। সারা বিশ্বজুড়েই তা হয়। ইউরোপে খেলোয়াড়দের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় বলে তা অনেক সময় আক্রান্ত হওয়ার আগেই ধরা পরে। কিন্তু আফ্রিকা এবং এশিয়ায় সংস্কৃতিগত কারনে খেলার মাঠে হার্ট আট্যাকের পরিমাণ অনেক বেশি। তবে কারন যেটাই হোক, খেলার মাঠে এমন দূর্ঘটনা ভীষণ বেদনাদায়ক। এর ঘটনার পূণরাবৃত্তি না ঘটুক এটাই বাংলা ডায়েরির পক্ষ থেকে কামনা থাকবে।

Bednet steunen 2023