free hit counter
খেলা

ফাইনালের ‘ড্রেস রিহার্সেলে’কাল মুখোমুখি পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা 

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের লড়াই শেষ হওয়ার আগেই নির্ধারণ হয়ে গেছে দুই ফাইনালিস্টের নাম। আগে থেকেই ফাইনালে এক পা দিয়ে রেখেছিলো শ্রীলঙ্কা। গতরাতে শ্বাস্রুদ্ধকর ম্যাচে আফগানিস্তানকে ১ উইকেটে হারিয়ে শ্রীলঙ্কাকে সঙ্গে নিয়েই ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান। কাকতালীয়ভাবে আগের থেকেই নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামীকাল সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে এবারের দুই ফাইনালিস্ট। 

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ের স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। তার আগে আগামীকাল রাত ৮ টায় একই মাঠে সুপার ফোরের লড়াইয়ে মাঠে নামছে পাকিস্তান আর শ্রীলঙ্কা। ম্যাচটি যেন ফাইনালের ‘ড্রেস রিহার্সেল’।



নিজেদের গ্রুপ থেকে রার্নাস-আপ হয়ে সুপার ফোরে ওঠে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই ফাইনাল  নিশ্চিত করেছে দল দু’টি। সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৪ ও দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতকে ৬ উইকেটে হারায় শ্রীলঙ্কা। আর পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে ভারতকে হারায় ৫ উইকেটে এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানদের ১ উইকেটে হারিয়ে নিশ্চিত করে সুপার ফোর। 

কাল সুপার ফোরের শেষ ম্যাচ দিয়ে ফাইনালের আগে একে অপরকে পরখ করে নেয়ার ভালো সুযোগ পেল দুই ফাইনালিস্ট। ম্যাচটির গুরুত্ব কম থাকলেও, জয়ের দিকেই চোখ দু’দলের। 

লঙ্কান ওপেনার কুশল মেন্ডিস বলেন, ‘এবারের আসরে প্রথম ম্যাচ হারের পর টানা তিন ম্যাচে জিতেছি আমরা। জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাই আমরা। ফাইনালের আগে এ ম্যাচটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ফাইনালের আগে নিজেদের ভালোভাবে ঝালিয়ে নেয়ার সুযোগ থাকছে এই ম্যাচে।’

পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান ফখর জামান বলেন, ‘ফাইনাল নিশ্চিত হলেও এই ম্যাচটিকে আমরা বেশ গুরুত্ব সহকারেই নিচ্ছি। জয়ের ধারায় থাকতে পারলে, আত্মবিশ্বাসও ভালো থাকবে। তাই জয়ের স্বাদ নিয়েই ফাইনাল খেলতে চায় দল।’


ছবি- ইএসপিএন ক্রিকইনফো

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ২১বার মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যে ১৩বার জিতেছে পাকিস্তান। ৮টি জয় আছে লঙ্কানদের। টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি লড়াইয়ে পাকিস্তানের জয়ের পাল্লা ভারী থাকলেও, এশিয়া কাপের মঞ্চে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা। এশিয়া কাপে ১৫বারের লড়াইয়ে ১০বার জিতেছে লঙ্কানরা। আর তাদের অর্ধেক ম্যাচে জয় আছে পাকিস্তানের।

পাকিস্তান দল : বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), শাদাব খান, আসিফ আলি, ফখর জামান, হায়দার আলি, হারিস রউফ, ইফতিখার আহমেদ, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নেওয়াজ, হাসান আলি, নাসিম শাহ, শাহনেওয়াজ দাহানি, মোহাম্মদ হাসনাইন ও উসমান কাদির।

শ্রীলংকা দল : দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস (উইকেটরক্ষক), পাথুম নিশাঙ্কা, দীনেশ চান্দিমাল, দানুশকা গুনাথিলাকা, চারিথ আসালঙ্কা, ভানুকা রাজাপাকসে, আসিন বান্দারা, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাহেশ থিকশানা, জেফ্রি ভান্দারসে, প্রভীন জয়াবিক্রমা, চামিকা করুনারত্নে, দিলশান মাদুশাঙ্কা, মাথেশ পাথিরানা, নুয়ান্দু ফার্নান্দো, আসিথা ফার্নান্দো, প্রমোদ মধুশান ও নুয়ান থুসারা।

Source link