free hit counter
খেলা

নেইমার ঝলকে শিরোপার আরও কাছে পিএসজি

চোট থেকে ফেরার পর নেইমার কী তার পুরনো ফর্ম ফিরে পেয়েছেন? জবাবটা সম্ভবত হ্যাঁ সূচক হবে। কারণ, আগের ম্যাচেই করেছিলেন হ্যাটট্রিক, এর আগের ম্যাচে জোড়া গোল। আর গতরাতে সর্বশেষ ম্যাচে করলেন এক গোল। গতরাতের গোলটি ছিল দেখার মতো। বল জালে পাঠাতে ভূমি থেকে উঁচুতে উঠে শট করেছেন, যা এককথায় চোখ জোড়ানো! তাই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার যে এখন দারুণ ফর্মে আছেন, তা বলাই যায়।

একই সঙ্গে লিওনেল মেসিও ধীরে ধীরে তার ফর্ম ফিরে পাচ্ছেন। গতকাল অফসাইড না হলে তার নামের পাশে অন্তত ২টি গোল থাকতো। আর আগে থেকেই দারুণ ছন্দে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সবমিলিয়ে পিএসজির আক্রমণভাগ ‌‘এমএনএম’ ত্রয়ীতে মজেছে সমর্থকরা। পাশাপাশি সমর্থকদের মাঝে কিছুটা আক্ষেপও রয়েছে। যদি মেসি-নেইমার ও এমবাপ্পের এই ছন্দ আরও কিছুদিন আগে থেকে খুঁজে পাওয়া যেত! তাহলে হয়তো আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের জায়গায় পিএসজি থাকতো।



যাইহোক, সেটা নিয়ে এখন আপসোস করেও লাভ নেই। সামনে যা আছে সেদিকেই নজর দিতে হবে। এই মৌসুমে পিএসজির সামনে কেবল একটি শিরোপাই আছে। অবশ্য লিগ ওয়ানের শিরোপা যে তাদের ঘরেই আসছে, তা অনেক আগেই প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। গতকাল সেটা আরও স্পষ্ট হলো। মার্শেইকে ২-১ গোলে হারানোর পর লিগ টেবিলে পিএসজির পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ ম্যাচে ৭৪। দুইয়ে থাকা মার্শেইর সমান ম্যাচে পয়েন্ট ৫৯। উভয় দলেরই আরও ৬টি করে ম্যাচ বাকি আছে। অবস্থা এমন যে, এখন যদি শিরোপা মরিসিও পচেত্তিনোর হাতে তুলে দেওয়া হয়, তাহলে মনে হয় না অন্য কোনো দল আপত্তি করবে।

এদিন, ম্যাচ শুরুর ১২ মিনিটেই গোলের খাতা খোলেন নেইমার। পিএসজির ইতালিয়ান মিডফিল্ডার মার্কো ভেরাত্তির বাড়িয়ে দেওয়া বলটিকে এক পায়ে ঠেলে দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। পরে ৩১ মিনিটে সমতায় ফিরে আসে মার্শেই। গোল করেন ক্রোয়েশিয়ান সেন্টার ব্যাক দুয়ে কালেতা-কার। প্রথমার্ধে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে পিএসজির দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করে নেন তিনি। এরপর পুরো ম্যাচে আর কোনো গোল হয়নি।

Source link