free hit counter
ওজন কমাতে বানান শসার এই রেসিপিগুলো
স্বাস্থ্য

ওজন কমাতে বানান শসার এই রেসিপিগুলো

শসা মানেই আমরা বুঝি ডায়েটের মূল পদ। ডায়েটের খাবার খেতে সব সময় খারাপ হবে এটাই আমরা ভাবি। কিন্তু ভালো করে ভাবলে বুঝবেন যে বিষয়টা এমন না। অনেক খাবার আছে যা ওজনও কমায় সেই সাথে খেতেও সুস্বাদু হয়ে থাকে। এমনই একটি সবজি বা ফল হলো শসা।

স্যালাডের মূল উপাদান শসা যে আপনি রান্না করেও খেতে পারেন তা কি জানা ছিল? শসা যে শুধুই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে তা নয়। সেই সঙ্গে শসায় থাকা পুষ্টি উপাদান শরীর সুস্থ রাখে। আর গরমকালে শসা শরীর ঠান্ডা রাখতে অনেকেরই পছন্দের খাদ্য। আবার ত্বক ও চুলের যত্নেও শসার উপকারিতাকে আমরা ভুলতে পারি না। কী কী উপায়ে ভাবে শসা খাওয়া যেতে পারে চলুন এবার সেটাই জেনে নেওয়া যাক।

১. স্যালাড: এই বিশেষ খাদ্যটি আমাদের শরীরের সুস্থতা রক্ষায় বড়ো ভূমিকা পালন করে থাকে। এটি যেমন ওজন কমায় তেমনি খেতেও সুস্বাদু। শসার সঙ্গে টমেটো, গাজর, পেঁয়াজ, টক দই একসাথে দিয়ে সুস্বাদু স্যালাড আপনি বানাতে পারেন।

প্রয়োজনে হালকা লবণ বা বিট লবণ দেওয়া যায় ও গোলমরিচ ছিটিয়ে দিতে পারেন উপর থেকে। প্রতিদিন গরমে স্যালাড খেলে ওজন তো কমবেই সেই সাথে ত্বক সতেজ থাকবে। চুলও হবে ঝলমলে।

২. রাইতা: শসা দিয়ে মাঝে মধ্যে লাঞ্চে বা ব্রেকফাষ্টেও রাইতা বানিয়ে খেতে পারেন। স্বাদে যেমন পরিবর্তন আসবে তেমনি তা বেশ স্বাস্থ্যকরও বটে। রাইতা বানাতে একটি পুরো শসা গ্রেড করে নিতে হবে। তারপর শসার সম্পূর্ণ জল ঝড়িয়ে নিয়ে তার সাথে টক দই, সামান্য জিরা গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, চাট মশলা, বিট লবণ দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে।

প্রয়োজনে পেঁয়াজ কুচি এতে যোগ করতে পারেন। চামচের সাহায্যে সব উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেলো রাইতা। পরোটা বা রুটির সঙ্গে খেতেই পারেন এটি।

৩. শসার তরকারি: অনেকভাবেই তো শসা খেয়েছেন কিন্তু শসার তরকারি আগে কখনো খেয়েছেন কি? এমনকি বিভিন্ন সব্জির সাথেও আপনি রান্না করতে পারেন শসা। সেই সঙ্গে মাছের সঙ্গে শসা মিলিয়ে রান্নার প্রচলনও আছে। আপনি চাইলে ইলিশ মাছ দিয়ে শসা রান্না করে চেখে দেখতে পারেন একদিন লাঞ্চে। খেতে যেমন ভালো লাগবে সেই সাথে ‍পুষ্টিগুণেও ভরপুর।