free hit counter
আন্তর্জাতিক

শ্রীলঙ্কায় চীনা সেনার উপস্থিতিতে উদ্বেগ

শ্রীলঙ্কায় চীনা সেনার উপস্থিতি কমিয়ে দিতে পারে ভারতের প্রভাব। ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

শ্রীলঙ্কায় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) বর্ধিত উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ‘গুরুতর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ তামিলনাড়ু। সম্প্রতি রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থার জারি করা এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশে চীনাদের কার্যকলাপ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক এবং উপকূলরেখা বরাবর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রদেশের সব শহর বা জেলায় পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে- পিএলএ ক্যাডারদের চলাচল এবং উত্তর শ্রীলঙ্কায় স্যাটেলাইট, ড্রোন ও অন্যান্য যোগাযোগ সরঞ্জামের মতো হাই-টেক গ্যাজেট স্থাপনের ঘটনার প্রেক্ষিতে উপকূলীয় জেলাগুলিতে অবিরাম নজরদারি প্রয়োজন।

একটি সূত্র জানিয়েছে, পিএলএ সামুদ্রিক শসা চাষ শুরু করার আড়ালে অত্যাধুনিক গ্যাজেট স্থাপন করেছে। কয়েকদিন আগেই গোয়েন্দা সংস্থাটি একটি সতর্কবার্তায় বলেছিলো যে- মুষ্টিমেয় চীনা নাগরিকরা শ্রীলঙ্কাভিত্তিক রাজনৈতিক দলের ক্যাডারদের সহায়তায় সমুদ্রপথ দিয়ে গোপনে ভারতে প্রবেশ করেছে। তামিলনাড়ু কোস্টাল সিকিউরিটি গ্রুপও, একটি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে, হাম্বানটোটা বন্দরে ডক করা চীনের স্যাটেলাইট, রকেট ও আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য ব্যবহৃত চীনা জাহাজের উপস্থিতি নিয়ে একটি সতর্কতা জারি করেছে ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

মুল্লাইথিভু, পারুথিথিভু, আনালাইথিভু, মিসালাই ও চাভাক্কাচেরিসহ উত্তর শ্রীলঙ্কার বেশ কয়েকটি প্রদেশে চীনা নাগরিকদের অবাধ বিচরণ তামিল মৎস্যজীবীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষের সূত্রপাত করেছে। আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা বলেছিলো, চীনারা তাদের সমৃদ্ধ সমুদ্র সম্পদ শোষণ করছে, যা তাদের জীবিকার একমাত্র উৎস।

এছাড়া, স্থানীয় তামিলদের ভয় ছিলো, এমন পরিস্থিতি বিভাজনের দিকে নিয়ে যেতে পারে শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের। দ্বীপরাষ্ট্রটির উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে বসবাসকারী তামিলদের ওপর ভারতের প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে। এই বছরের আগস্টে শ্রীলঙ্কা তার চীনা অর্থায়নে হাম্বানটোটা বন্দরে একটি চীনা স্যাটেলাইট-ট্র্যাকিং জাহাজের আগমন খোলসা করার পরে, ভারত এই সফরের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিদেশ মন্ত্রক বলেছে যে, ভারত সতর্কতার সঙ্গে এমন বিষয়গুলি পর্যবেক্ষণ করছে যা তার নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ওপর প্রভাব ফেলে।

এমকে

Source link

Bednet steunen 2023