Image default
আন্তর্জাতিক

রক্ষণশীলদের দাবি, সুনাক ব্রিটিশ নন

ছবি: সংগৃহীত

সমঝোতার চাপ বরিসের

ব্রিটেনের রাজনীতিতে যে কথাটি চালু আছে তা হলো রক্ষণশীলরা তাদের নেতা নির্বাচনে আরো বেশি রক্ষণশীল। একজন টোরি দলের সদস্যের মাধ্যমে এই দলের অনেকের মনের কথা বেরিয়ে এসেছে তারা কতটা রক্ষণশীল । গতকাল এলবিসি রেডিওতে ওই সদস্য বলেছেন, ঋষি সুনাক ব্রিটিশ নন। সুতরাং তাকে প্রধানমন্ত্রী মানা যাবে না। তিনি ভারতীয় ব্যবসায়ী। বরিসের মতো ইংল্যান্ডকে ভালোবাসেন না। এলবিসির হোস্ট সংগীতা মাইস্কা এই সময় বর্ণবাদী কলার হিসেবে ওই সদস্যের কল বন্ধ করে দেন বলে জানায় দি লন্ডন ইকোনমিক।

ঋষি এগিয়ে: অথচ গতকাল প্রায় ১৪৬ জন সদস্যের সমর্থন নিয়ে প্রার্থিতার দৌড়ে এগিয়ে আছেন ঋষি। তিনি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ডাউনিং স্ট্রিটে প্রবেশের জন্য তার প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য একটি মহান দেশ। আমরা একটি গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। আমাদের অর্থনীতিকে ঠিক করতে, আমাদের দেশের জন্য আমার মেধাকে উপহার দিতে চাই। এ কারণেই আমি কনজারভেটিভ পার্টির নেতা এবং আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হতে দাঁড়িয়েছি। ঋষির পক্ষে জনসনের প্রাক্তন চিফ অফ স্টাফ এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী স্টিভ বেকার বলছেন, বরিস ফিরে আসা মানে দেশের গ্যারান্টেড বিপর্যয় হবে।

কট্টরদের ঐক্য: ঋষিকে হারাতে ছুটি বাদ দিয়ে দৌড়ে শরিক হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি কট্টর টোরিদের সমর্থন পাচ্ছেন। এমনকি যারা তাকে গত মার্চে অনাস্থা দিয়েছিলেন তাদের কেউ কেউ তার দিকেই আবার ঝুঁকছে। ধারণা করা হচ্ছে জাতি ও বর্ণবাদী কারণেই জনসনের পাল্লা হঠাৎ করে ভারী হয়ে যেতে পারে।

আলোচনা ব্যর্থ: এ অবস্থায় ক্ষমতা ভাগাভাগির রাজনীতিতে গতকাল আলোচনায় বসেন ঋষি ও বরিস। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বরিসের পক্ষের কয়েকজন সিনিয়র নেতা এই বৈঠকের আয়োজন করেন। তারা বিভিন্নভাবে ঋষিকে প্রার্থী না হওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু বরিসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ঋষি। শনিবার রাতে দুজনের মধ্যে তিন ঘণ্টা বিরতিহীন আলোচনা হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে অপর প্রার্থী পেনি মর্ডান্টকেও সরে যেতে চাপ দেন বরিস। তিনিও বরিসের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

কিং মেকার: এর মধ্যে পেনি

মর্ডান্ট আছেন দুই পক্ষের বিকল্প হিসেবে। তিনি এই দুই শিবিরের মাঝামাঝি থেকে বলছেন, দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে আমাকে নির্বাচিত করুন। তিনিও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ নং বাড়ির বাসিন্দা হতে। ইথারে ভাসছে অন্য একটি খবর। তা হলো যদি গোপনে সমঝোতা হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে কিং-মেকার হতে পারেন পেনি মর্ডান্ট। এ খবর দিয়েছে ডেইলি মেইল।
স্টপ বরিস: এদিকে ডমিনিক রাব এবং স্টিভ বেকারের মতো অনেক সিনিয়র কনজারভেটিভ এমপি গতকাল ‘স্টপ বরিস’ নামে ঋষির পক্ষে একটি প্রচারণা শুরু করেছেন।

Source link

Related posts

ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রুশ জ্বালানি কিনেছে জার্মানি

News Desk

ইউক্রেনে সাত বছরের মেয়েসহ নিহত ৬

News Desk

ফের ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা

News Desk

Leave a Comment