free hit counter
আন্তর্জাতিক

খাদ্যাভাবের শঙ্কা নেই, ভারতে কমবে চালের উৎপাদন

ফাইল ছবি

চলতি মৌসুমে ভারতে চালের উৎপাদন ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন কমবে। বিভিন্ন রাজ্যে আশানুরূপ বৃষ্টি না হওয়ায় এবার ধান রোপণ কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের খাদ্যসচিব সুধাংশু পান্ডে।

গত মৌসুমে যেখানে গোটা ভারতে ৪০৩ দশমিক ৫৮ লাখ হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়েছিল, সেখানে এবার এখন পর্যন্ত হয়েছে ৩২৫ দশমিক ৩৯ লাখ হেক্টরে। ভারতের খাদ্য মন্ত্রণালয় এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। তবে উৎপাদন কমলেও তাতে দেশে খাদ্যাভাব দেখা দেবে না বলে দাবি সরকারের।

ভারতের খাদ্যসচিব সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দিয়ে বলেন, এ বছর গোটা দেশে সমানভাবে বর্ষা হয়নি। কোনো কোনো রাজ্যে ভালো বৃষ্টি হলেও তা ছিল পরিমাণে কম। তবে যেসব রাজ্যে ভালো বৃষ্টি হয়েছে, সেগুলোতে ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হলে চালের ঘাটতি কমে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টন হতে পারে। আপাতত যা মনে হচ্ছে, তাতে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন উৎপাদন কম হবে।

এ আশঙ্কার দরুন ভারত সরকার সম্প্রতি বাসমতি ছাড়া অন্য চাল রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক ধার্য করেছে। তা ছাড়া খুদ রপ্তানি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে। তাতে অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা যাবে বলে ধারণা কেন্দ্রীয় সরকারের।

খাদ্য, গণবণ্টন ও উপভোক্তাবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বৈশ্বিক কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে খুদের চাহিদা খুব বেড়েছে। সে জন্য এটির রপ্তানি বেড়ে যায়। এর ফলে দেশে খুদসহ চালের দামও বাড়ছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ খোলাবাজারে খুদের কেজি ১৬ রুপি থেকে বেড়ে ইতিমধ্যে ২২ রুপিতে উঠেছে। এতে পোলট্রিজাত পণ্যেরও মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত চার বছরে খুদ রপ্তানি বেড়েছে ৪৩ গুণ। খুদ প্রধানত পশুখাদ্য। বিশেষ করে মুরগির খাবার। তা ছাড়া ইথানল উৎপাদনেও খুদ ব্যবহৃত হয়।

এমকে

Source link