free hit counter
আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনের ২০ শতাংশ দখল করেও সফল নয় রাশিয়া!

রুশ বাহিনীর ট্যাংক। ফাইল ছবি

ইউক্রেনের ২০ শতাংশ দখল করেও রাশিয়া সফল নয়। এমনই দাবি তুলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার (৪ জুন) তিনি বলেন, ইউক্রেনের অন্তত ২০ শতাংশ এলাকা দখল করে নিয়েছে রাশিয়া। তবে তাদের কিয়েভ দখলের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এখন কেবল ডনবাস উপত্যকার লুহানস্ক ও ডোনেৎস্ক দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে রাশিয়া।

আজ শনিবার (৪ জুন) ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ ১০০ দিনে পদার্পণ করল। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি কিয়েভের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ ঘোষণার পরও সফল হয়নি রাশিয়া। জেলেনস্কির দাবিতে এমনই ইঙ্গিত ছিল। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

একই দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন ন্যাটোর প্রধান জেন্স স্টল্টেনবার্গ। বাইডেনকে তিনি বলেন, দীর্ঘ এই যুদ্ধের প্রভাব ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপরেও পড়ছে। তাদের পাশেও দাঁড়াতে হবে।

লুক্সেমবুর্গের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল প্রশাসনিক বৈঠকে জেলেনস্কি বলেছেন, গত ১০০ দিনে হাজার হাজার মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। অসংখ্য ইউক্রেন সেনার পাশাপাশি প্রচুর মানুষকে হত্যা করেছে রুশ সেনা। ওরা আমাদের দেশের অন্তত২০ শতাংশ এলাকা দখলকরে নিয়েছে। ডনবাসের অন্তর্ভুক্ত লুহানস্কের সেভেরোডনেস্কে এখনও লাগাতার হামলা চালাচ্ছে রুশ সেনা। কৌশলগতভাবে সেভেরোডনেস্কের অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানের অ্যাজভ কারখানাটি ইউরোপের বৃহত্তম রাসায়নিক কারখানা বলে পরিচিত। সেই কারখানার প্রশাসনিক ভবনেও হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।

তবে লুহানস্কের গভর্নর সের্গেই গেডে বলেছেন, সবটুকু দিয়ে লড়ছে ইউক্রেনের সেনা। শেষ না দেখে তারা ছাড়বে না।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের পাশাপাশি রাশিয়াও শুরু করেছে তাদের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া যুদ্ধাপরাধের বিচার। এমনই কিছু মামলায় ইউক্রেন থেকে জোর করে শিশুদের রাশিয়ায় ‘চালান’ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মস্কোর বিরুদ্ধে।

ইউক্রেনে একাধিক যুদ্ধাপরাধের তদন্তের দায়িত্বে থাকা জেনারেল ইরিনা বেনেডিক্টোভা জানান, যুদ্ধ শুরুর পর গত ১০০ দিনে পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে রাশিয়ায় ‘জোর করে’ শিশুদের পাচার করা নিয়ে বিশটিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, যুদ্ধবন্দী রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ, বেসামরিক লোকদের বিনা উস্কানিতে হত্যা করা ছাড়াও গণহত্যার মতো বিষয়কে মাথায় রেখে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ডি- এইচএ

Source link