free hit counter
বিনোদন

বিটিএসে ভাঙনের সুর! 

গত কয়েক বছর ধরে পারফরম্যান্স দিয়ে বিশ্বজুড়ে ঝড় তুলেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যান্ড বিটিএস। একের পর এক রেকর্ড তাঁদের ঝুলিতে। সেই বিটিএসে কিনা ভাঙনের সুর! 

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানায়, কে-পপ বিটিএস ঘোষণা দিয়েছে, তারা নিজেদের একক ক্যারিয়ারে ফোকাস করার জন্য ব্যান্ড থেকে বিরতি নিচ্ছে। প্রতিষ্ঠার ৯ বছর পর দলগত বিরতির এই ঘোষণা দিল বিটিএস। ব্যান্ডের সদস্যদের একক ক্যারিয়ার গড়তেই এ সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে দলটি। 

বিটিএসের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দলটির সদস্য সুগাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা আলাদা হতে যাচ্ছি।’ বিটিএসের আরেক সদস্য জিমিন বলেন, ‘এখন থেকে ধীরে ধীরে নতুন কিছু করার ভাবনা শুরু হলো।’ 

তবে বিটিএসের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিনোদন কোম্পানি হাইব এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিটিএস দল ঠিক বিরতিতে যাচ্ছে না; এককভাবে ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি গ্রুপ হিসেবেও পারফরম্যান্স চালিয়ে যাবে।’ 

২০১৩ সালে সুগা, জে-হোপ, আরএম, জিমিন, জিন, ভি এবং জাংকুককে নিয়ে গড়ে ওঠে ব্যান্ডটি। ছবি: রয়টার্স দলগত বিরতির খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্বেগ জানিয়েছেন ভক্তরা। বিটিএসকে গ্রুপ ব্যান্ড হিসেবেই দেখতে চান তাঁরা। 

 ১৩ জুন ব্যান্ডটির জন্য বিশেষ একটি দিন ছিল। ঠিক ৯ বছর আগে যাত্রা শুরু হয়েছিল বিটিএসের। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ জুন মুক্তি পেয়েছে ব্যান্ডটির নতুন অ্যালবাম প্রুফ। সংকলিত এই অ্যালবামে গান রয়েছে ২৮টি। 
 
২০১৩ সালে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকে গানের কথা, সুর ও পরিবেশন দিয়ে তুমুল জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস। সুগা, জে-হোপ, আরএম, জিমিন, জিন, ভি এবং জাংকুককে নিয়ে গড়ে ওঠে ব্যান্ডটি হয়ে ওঠে বিশ্বজুড়ে তরুণদের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড। সারা বিশ্বে রয়েছে তাদের প্রচুর ভক্ত। 

কোরিয়ায় সাফল্যের পর বিটিএস দৃষ্টি দেয় সংগীতের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রে। ছবি: রয়টার্স নিজেদের দেশ কোরিয়ায় সাফল্যের পর ব্যান্ডটি দৃষ্টি দেয় সংগীতের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রে। প্রথম কে-পপ ব্যান্ড হিসেবে পারফর্ম করে আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে। এ ছাড়া প্রথম কোরীয় ব্যান্ড হিসেবে গ্র্যামি মনোনয়ন পায় বিটিএস। 

গান ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে নিয়মিত ছিল বিটিএস। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করেছে তারা, যা ছিল মূলত সহিংসতাবিরোধী প্রচারণা।

Source link