free hit counter
বিনোদন

নির্মাতা তরুণ মজুমদার আর নেই

ওপার বাংলার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক তরুণ মজুমদার আর নেই। স্থানীয় সময় সোমবার (৪ জুলাই) সকালে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, কিডনি এবং হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যায় দীর্ঘ দিন ধরেই ভুগছিলেন প্রবীণ এই পরিচালক। গত ১৪ জুন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রোববার তাঁকে ভেন্টিলেশনে দিতে হয়। সোমবার সকাল ১১টা ১৭ মিনিটে মৃত্যু হয় বর্ষীয়ান এই পরিচালকের।

তরুণ মজুমদার মধ্যবিত্ত বাঙালির নানান মুহূর্ত পর্দায় তুলে ধরেছিলেন ‘বালিকা বধূ’, ‘দাদার কীর্তি’, ‘আলো’, ‘চাঁদের বাড়ি’র মতো সিনেমার মাধ্যমে। যে সময় সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেনের মতো পরিচালকরা সিনেমার জগতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, সেই সময়ে বড়পর্দায় পারিবারিক গল্প ফুটিয়ে তুলতে শুরু করেন তরুণ মজুমদার। শচীন মুখোপাধ্যায় ও দিলীপ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মিলে ‘যাত্রিক’ টিম তৈরি করে সিনেমা পরিচালনার কাজ শুরু করেন তিনি। তাঁদের প্রথম সিনেমা ‘চাওয়া পাওয়া’।

তরুণ মজুমদার মধ্যবিত্ত বাঙালির নানান মুহূর্ত পর্দায় তুলে ধরেছিলেন সিনেমার মাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত ‘পলাতক’ ছবির তৈরির পর ‘যাত্রিক’ থেকে বেরিয়ে আসেন তরুণ মজুমদার। ১৯৬৫ সালে ‘আলোর পিপাসা’ এবং ‘একটুকু ভালোবাসা’ নামের দু’টি সিনেমা তৈরি করেন তিনি। এর পর থেকে নিজের পরিচালনায় তৈরি করেছেন ‘বালিকা বধূ’, ‘রাহগির’, ‘নিমন্ত্রণ’, ‘কুহেলি’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘গণদেবতা’, ‘দাদার কীর্তি’, ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’, ‘আপন আমার আপন’, ‘আলো’, ‘চাঁদের বাড়ি’র মতো সিনেমা।

একাধিক জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তরুণ মজুমদার। ভূষিত হয়েছেন পদ্মশ্রী সম্মানে। গুণী এই নির্মাতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পশ্চিমবঙ্গের সিনেমা জগৎ। 

Source link