free hit counter
বিনোদন

কলকাতায় কেকের পরিবার

মন মানছে না, তবু জানাতে হচ্ছে ‘অলবিদা’ কেকে। বিদায় বলিউড গানের এক ইতিহাস। কলকাতায় অনুষ্ঠান করতে এসেছিলেন দুই দিনের জন্য। তবে এই মানুষটা যে আর কোনো দিন ঘরে ফিরবেন না, দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি কেকের স্ত্রী জ্যোতিকৃষ্ণ। স্বামীর নিথর দেহ ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বুধবার সকালে কলকাতায় এসে পৌঁছালেন বিধ্বস্ত জ্যোতিকৃষ্ণ। সঙ্গী পুত্র নকুলও । এদিন কলকাতা এয়ারপোর্ট থেকে হাসপাতালে পৌঁছান তাঁরা। সেখানেই রাখা আছে কেকের মরদেহ।

স্ত্রী জ্যোতিকৃষ্ণর সঙ্গে কেকে। ছবি: টুইটার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথাবার্তা বলেনি প্রয়াত গায়কের পরিবার। কেকে ও জ্যোতির দুই সন্তান নকুল ও তামারা। মায়ের সঙ্গে ছেলে কলকাতায় এলেও তামারা আসেনি। জানা যাচ্ছে, ময়নাতদন্তের পরই কেকের মরদেহ নিয়ে মুম্বাইয়ে ফিরবে পরিবার।

কলকাতায় এসেছে কেকের পরিবার। ছবি: টুইটার অসুস্থতার কারণে মৃত্যু, নাকি এই মৃত্যুর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ, তা তদন্তে ইতিমধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। পরিবারের সম্মতি নিয়েই এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। কেকের মরদেহ এই মুহূর্তে রাখা আছে সিএমআরআই হাসপাতালের মর্গে। গায়কের শেষ ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে কেকের কপালে ও ঠোঁটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

স্ত্রী জ্যোতিকৃষ্ণর সঙ্গে কেকে। ছবি: টুইটার মঙ্গলবার রাতে গায়কের শেষ মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল, তা তদন্তে কেকে যে হোটেলে ছিলেন সেই হোটেলের শিফট ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। দেখা হবে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজও। হোটলের অন্যান্য কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ, কথা বলা হবে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং নজরুল মঞ্চের কর্মীদের সঙ্গেও। কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মুরলিধর শর্মা এই মুহূর্তে হোটেলে পৌঁছেছেন, যেখানে গত দুই দিন ধরে ছিলেন কেকে।

মনে করা হচ্ছে, ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকের কারণে মৃত্যু হয়েছে কেকের। তবে আসল কারণ অন্য কিছু কি না, দেখতে পরিবারের অনুমতি নিয়েই ময়নাতদন্ত করা হবে দেহের। কেকের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ভারত ও বাংলাদেশের বিনোদন জগৎ। শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

Source link