free hit counter
জীবনী

ফেরদৌস আহমেদের জন্ম, পেশা, উচ্চতা, দাম্পত্য সঙ্গী, জীবনী, সিনেমা এবং তথ্য প্রোফাইল

ফেরদৌস আহমেদ (জন্ম ৭ জুন ১৯৭৪) বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে আবির্ভূত একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র নায়ক সালমান শাহর অসমাপ্ত কাজবুকের ভিতর আগুন, এটির পরিচালক ছিলেন ছটকু আহমেদ। তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র গাজী মাজহারুল আনোয়ারের পরিচালনায় পৃথিবী আমারে চায় না। পাশাপাশি তিনি কলকাতার চলচ্চিত্রেও অভিনয় করছেন। মিট্টি নামে ২০০১ সালে একটি বলিউডের চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।[১৯৯৮ সালে তিনি চলচ্চিত্রকার বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত হঠাৎ বৃষ্টি ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশপাশি তিনি মডেলিং, টিভি উপস্থাপনা ও টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে তার অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত করে। এগুলো হচ্ছে হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮), গঙ্গাযাত্রা (২০০৯), কুসুম কুসুম প্রেম (২০১১), ও এক কাপ চা (২০১৪)। ফেরদৌস অভিনীত সফল চলচ্চিত্রের মধ্যে হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮), পৃথিবী আমারে চায় না (১৯৯৮), চুপি চুপি (২০০১), এই মন চায় যে (২০০১), সবার উপরে প্রেম (২০০২), প্রেমের জ্বালা (২০০২), বউ-শাশুড়ির যুদ্ধ (২০০৩), প্রাণের মানুষ (২০০৩), চন্দ্রকথা (২০০৩), খায়রুন সুন্দরী (২০০৪), দুই নয়নের আলো (২০০৫), ফুলের মত বউ (২০০৬), গোলাপী এখন বিলাতে (২০১০), গেরিলা (২০১১) অন্যতম। এছাড়াও ফেরদৌস আহমেদ চ্যানেল আই সেরা নাচিয়ে, নৃত্য অনুষ্ঠানের প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।

ফেরদৌস আহমেদ পূর্ণ জীবনী:
পুরো নাম : ফেরদৌস আহমেদ (Ferdous Ahmed)
জন্ম: ৭ জুন ১৯৭৪
ধর্ম : ইসলাম
জন্মস্থান: তিতাস, কুমিল্লা, বাংলাদেশ
বর্তমান বয়স: ৪৭ বছর (আপডেট- ২০২১)
জন্মদিন : ৭ জুন
জাতীয়তা: বাংলাদেশী
ডাক নাম: ফেরদৌস
নাগরিকত্ব: বাংলাদেশী
শিক্ষা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পড়ার বিষয়: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
পেশা: অভিনেতা, মডেল, চলচ্চিত্র প্রযোজক, টিভি উপস্থাপক
কর্মজীবন: ১৯৯৭ – বর্তমান
উচ্চতা: ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি
ওজন: ৬৯ কেজি
চুলের রঙ: কালো
চোখের রঙ: কালো
পরিচিতির কারণ: মডেল , অভিনয় এবং টিভি উপস্থাপক
উল্লেখযোগ্য কর্ম: হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮),টক ঝাল মিষ্টি (২০০২),খায়রুন সুন্দরী(২০০৭)
আদি নিবাস: কুমিল্লা, বাংলাদেশ
পিতা-মাতা: আশরাফউদ্দিন আহমেদ (বাবা) ,ঐশী আহমেদ (মা)
দাম্পত্য সঙ্গী: তানিয়া ফেরদৌস (২০০৩ – বর্তমান)
সন্তান: নুজহাত ফেরদৌস (ছেলে), নুজরান ফেরদৌস (মেয়ে)
পুরস্কার: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (৪ বার)
সোশ্যাল মিডিয়া : ফেইসবুক,ইনস্টাগ্রাম,উইকিপিডিয়া
মডেলিং

চলচ্চিত্রে আসার আগে ফেরদৌস র‍্যাম্প মডেল হিসেবে কাজ করেছেন ফ্যাশন সেক্টরে। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলের হাত ধরে র‍্যাম্পে তার হাতেখড়ি। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বড় বড় বেশ কিছু ফ্যাশন শোর র্যা ম্পিংয়ে তিনি অংশ নেন। ২০১৫ সালে আরএফএল-এর ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হন এবং তিনটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন।

অভিনয় জীবন
১৯৯৯ – ২০০৫

ফেরদৌস আহমেদ, চলচ্চিত্র জগতে পরিচিত পান ফেরদৌস হিসেবে। তার চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে প্রয়াত নৃত্য পরিচালক আমির হোসেন বাবু এর হাত ধরে। তখন আমির হোসেন বাবু পরিচালক হিসেবে নাচভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র নাচ ময়ূরী নাচ নির্মাণের পরিকল্পনা করছিলেন। একসময় তিনি আকর্ষণীয় দৈহিক সৌষ্ঠবের অধিকারী ফেরদৌসকে আবিষ্কার করেন। কিন্তু আমির হোসেন বাবু সেই ছবির কাজ আর শুরু করতে পারেননি। প্রয়াত জননন্দিত অভিনেতা সালমান শাহের এর আকস্মিক মৃত্যুর কারণে তার অভিনীত অসমাপ্ত একটি ছবিতে কাজ করতে ফেরদৌস প্রথম ক্যামেরার সামনে আসেন ১৯৯৭ সালে ছটকু আহমেদ পরিচালিত বুকের ভিতর আগুন ছবির মাধ্যমে। সালমান শাহের মৃত্যুর পর ছটকু আহমেদ ছবির গল্পে কিছুটা পরিবর্তন করে ফেরদৌসকে কাজ করার সুযোগ দেন। এরপর ১৯৯৮ সালে এককভাবে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন অঞ্জন চৌধুরী পরিচালিত পৃথিবী আমারে চায় না ছবির মধ্য দিয়ে। এরপর তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেন ১৯৯৮ সালে ভারতের চলচ্চিত্রকার বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত যৌথ প্রযোজনার ছবি হঠাৎ বৃষ্টি ছবির মাধ্যমে। এই ছবির অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এরপর থেকে তিনি একাধারে বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। এছাড়াও মিট্টি নামের একটি বলিউড এর হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০১ সালে বাসু চ্যাটার্জির পরিচালনায় চুপি চুপি ও ২০০২ সালে দেবাশিষ বিশ্বাসের টক ঝাল মিষ্টি ছবি দুটিতে অভিনয় করেছেন। ২০০৩-এ ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ুন আহমেদের চন্দ্রকথা ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। ২০০৪ সালে অভিনয় করেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নির্মিত ব্যাচেলর ও ও আমজাদ হোসেনের নির্মিত কাল সকালে ছবিতে। ২০০৫ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সাহিত্যের প্রথম চলচ্চিত্রায়ন মৌসুমী-গুলজার এর মেহের নেগার এবং মতিন রহমান পরিচালিত জাতীয় কবির সাহিত্যের দ্বিতীয় চলচ্চিত্রায়ন রাক্ষুসী ছবিতেও তিনি জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী রোজিনার বিপরীতে চমৎকার অভিনয় করেছেন।

২০০৬ – ২০১০

২০০৬ সালে জনপ্রিয় অভিনেত্রী কবরী পরিচালিত প্রথম ছবি আয়না-তেও তিনি অভিনয় করেছেন। একই বছর চলচ্চিত্রকার দিদারুল আলম বদলের প্রযোজনায় দুটি ছবিতে তিনি কাজ করেছেন। প্রথমটি হুমায়ুন আহমেদ-এর জনপ্রিয় উপন্যাস নন্দিত নরকে অবলম্বনে একই শিরোনামে নির্মিত চলচ্চিত্র নন্দিত নরকে, এটি পরিচালনা করেছেন বেলাল আহমেদ। দ্বিতীয়টি দিদারুল আলম বাদলের নিজের পরিচালনায় না বোলনা, এটিতে তিনি প্রথম ও শেষ অংশে একটি বিশেষ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। ২০০৭-এ বহুল আলোচিত গ্রাম বাংলার পটভূমিতে নির্মিত খায়রুন সুন্দরী চলচ্চিত্র অসাধারণ ব্যবসায়িক সাফল্য লাভ করে, এটি পরিচালনা করেছেন এ কে সোহেল। ২০০৮-এ খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার আবু সাইয়ীদ এর রূপান্তর চলচ্চিত্রে তিনি অসাধারণ অভিনয় করেন। ২০০৯-এ সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড এর গঙ্গাযাত্রা ছবিতে একজন ডোমের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার লাভ করেন (যৌথভাবে চঞ্চল চৌধুরী’র সাথে মনপুরা ছবির জন্য) এবং ওয়াকিল আহমেদের কে আমি চলচ্চিত্রে একটি আইটেম গানে অভিনয় করেন। ২০১০ সালে তিনি বেশ কয়েকটি আলোচিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেন-এর গোলাপী এখন বিলাতে, খিজির হায়াৎ খান পরচালিত ক্রীড়া ভিত্তিক চলচ্চিত্র জাগো অন্যতম।

২০১১ – বর্তমান

২০১১ সালে মুক্তি পায় নাসির উদ্দিন ইউসুফ এর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র গেরিলা, মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত কুসুম কুসুম প্রেম এবং শাহীন-সুমন এর কে আপন কে পর ছবিতে বিশেষ অতিথি একটি গানে দৃশ্যে এবং ভারতীয় বাংলা ফাইটার ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। কুসুম কুসুম প্রেম ছায়াছবিতে অভিনয় করে অর্জন করেন শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে তার তৃতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়া গেরিলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এর তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী হিসেবে মনোনীত হন। ২০১২ সালে নিজের প্রথম প্রযোজনায় নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এক কাপ চা এবং দ্বিতীয়টি বাসু চ্যাটার্জি পরিচালনায় হঠাৎ সেদিন-এ অভিনয় করেন। ২০১২ সালে খোকাবাবু নামের ভারতীয় ছবিতেও তিনি পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত এমনোতো প্রেম হয় এবং জাকির হোসেন রাজুর যুগে যুগে তুমি আমারই ছবিতে অভিনয় করেন। হঠাৎ সেদিন ২০১২ সালে মুক্তি পেলেও এক কাপ চা নির্মাণ বিলম্বের কারণে ২০১৪ সালে মুক্তি পায়। এই ছায়াছবির জন্য পান তার অভিনয় জীবনের চতুর্থ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়া একই বছর মুক্তি পায় মুরাদ পারভেজ পরিচালিত বৃহন্নলা, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প অতৃপ্ত কামনা অবলম্বনে প্রিয়া তুমি সুখী হও ও চার অক্ষরের ভালবাসা। বৃহন্নলা ছায়াছবির জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এর তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী হিসেবে মনোনীত হন। ২০১৫ সালে অভিনয় করেন মানিক মানবিকের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ছায়াছবি শোভনের স্বাধীনতা,প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার আবদুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত শেষ চলচ্চিত্র দুই বেয়াইয়ের কীর্তি, নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত উপন্যাস অবলম্বনে মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ছায়াছবি অনিল বাগচীর একদিন, ও ডঃ অরূপরতন চৌধুরী পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র স্বর্গ থেকে নরক-এ। ২০১৬ সালে মুক্তি পায় মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কৃষ্ণপক্ষ, মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত মন জানেনা মনের ঠিকানা। এছাড়া অভিনয় করেন ইন্দো-বাংলা যৌথ প্রযোজনার ছায়াছবি বাদশা – দ্য ডনতে। এতে আরও অভিনয় করছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ ও বাংলাদেশী নুসরাত ফারিয়া মাজহার। এছাড়া অভিনয় করেবেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ভালবাসবোই তো ও কতদিন দেখিনি তোমায় চলচ্চিত্রে। দুই ছায়াছবিতেই তার বিপরীতে থাকবেন শাবনূর। ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা পরিচালিত রঙ কেন বিশ্ব রঙ।

পারিবারিক জীবন

ফেরদৌস ২০০৩ সালে ৯ ডিসেম্বর তানিয়া ফেরদৌসকে বিয়ে করেন। তাদের দুই সন্তান। ছেলে নুজহাত ফেরদৌস ও মেয়ে নুজরান ফেরদৌস।

চলচ্চিত্রের তালিকা
বছর চলচ্চিত্র চরিত্র পরিচালক সহশিল্পী টীকা
১৯৯৭ বুকের ভিতর আগুন আগুন ছটকু আহমেদ শাবনূর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র
১৯৯৮
পৃথিবী আমারে চায়না অঞ্জন চৌধুরী স্নিগ্ধা
হঠাৎ বৃষ্টি অজিত চৌধুরী বাসু চ্যাটার্জি প্রিয়াঙ্কা ত্রিভেদী
বিজয়ী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা[৭]
১৯৯৯ জবাবদিহি
২০০০
এই মন চায় যে…! মতিন রহমান শাবনূর
আমাদের সংসার ঋতুপর্ণা
হার জিত
২০০১
মিট্টি দেবা ইকবাল দুররানী শ্রাবনী মুখার্জি বলিউড এর চলচ্চিত্র
চুপি চুপি বাসু চ্যাটার্জি প্রিয়াঙ্কা ত্রিভেদী
চুড়িওয়ালা শাহ আলম কিরণ মধুমিতা
দাদাঠাকুর
মাস্টার মশাই
ওস্তাদ ঋতুপর্ণা
সুয়োরানী দুয়োরানী ঋতুপর্ণা
কেন ভালোবাসলাম রত্না
২০০২
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সুব্রত সেন নীলাঞ্জনা শর্মা
মধু পূর্ণিমা পূর্ণিমা
বস্তির মেয়ে আজাদী হাসনাত ফিরোজ শাবনূর
জনম জনমের সাথী ঋতুপর্ণা
ফুল আর পাথর
প্রতিহিংসা
প্রেম শক্তি
সাঁঝবাতির রূপকথারা অঞ্জন দাস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ইন্দ্রাণী হালদার
টক ঝাল মিষ্টি বাসু চ্যাটার্জি প্রিয়াঙ্কা ত্রিভেদী
প্রেমের জ্বালা শাবনূর
সন্তান যখন শত্রু রাজ্জাক বাপ্পারাজ, পূর্ণিমা
কারাগার কালাম কায়সার পপি
যত প্রেম তত জ্বালা শাবনূর
২০০৩
সবার উপরে প্রেম শাবনূর, শাকিব খান
পরদেশী বাবু
মিস ডায়না মৌসুমী
চন্দ্রকথা জহির হুমায়ুন আহমেদ মেহের আফরোজ শাওন
কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি শ্রাবণ মৌসুমী মৌসুমী
বৃষ্টি ভেজা আকাশ মৌসুমী
বউ-শাশুড়ির যুদ্ধ শাবনূর
ঘর জামাই শাহ আলম কিরণ শাবনূর
২০০৪
অকৃতজ্ঞ ঋতুপর্ণা
দাদু নাম্বার ওয়ান
মন যাকে চায় ঋতুপর্ণা
প্রাণের স্বামী রচনা ব্যানার্জী
ব্যাচেলর ফাহিম মোস্তফা সরয়ার ফারুকী শাবনূর, অপি করিম
সাগর কিনারে দেবশ্রী রায় ও ঋতুপর্ণা
তুমি বড় ভাগ্যবতী আবুল কালাম আজাদ শাবনূর
প্রাণের মানুষ আমজাদ হোসেন শাবনূর, শাকিব খান
২০০৫
আমার স্বপ্ন তুমি আবুল কালাম আজাদ শাবনূর, শাকিব খান
ফুলের মত বউ আবুল কালাম আজাদ শাবনূর
ক্ষুদে যোদ্ধা পপি
কাল সকালে আজু আমজাদ হোসেন শাবনূর ও অপু বিশ্বাস
মেহের নেগার ইউসুফ মৌসুমী ও মুশফিকুর রহমান গুলজার মৌসুমী ও ইরিন জামান
নজরুল সাহিত্যের প্রথম চলচ্চিত্রায়ন
রাক্ষুসী মতিন রহমান রোজিনা ও পূর্ণিমা
নজরুল সাহিত্যের দ্বিতীয় চলচ্চিত্রায়ন
ঘরের লক্ষী আজাদী হাসনাত ফিরোজ শাবনূর
দুই নয়নের আলো আকাশ মোস্তাফিজুর রহমান মানিক শাবনূর
এক বুক জ্বালা হৃদয় শিকদার আজাদী হাসনাত ফিরোজ মৌসুমী, শাকিব খান
২০০৬
না বোলনা সজল দিদারুল আলম বাদল সুমনা সোমা
নন্দিত নরকে খোকা বেলাল আহমেদ সুমনা সোমা
রানীকুঠির বাকী ইতিহাস রুদ্র সামিয়া জামান পপি
আয়না দোলন কবরী সোহানা সাবা
বলোনা ভালোবাসি শাবনূর, পূর্ণিমা
খেয়া ঘাটের মাঝি শাবনূর
এ চোখে শুধু তুমি শাবনূর
২০০৭
আহা! আসিফ এনামুল করিম নির্ঝর হুমায়ুন ফরীদি, খালেদ খান
খায়রুন সুন্দরী এ কে সোহেল মৌসুমী
দজ্জাল শাশুড়ি শাবনূর
ওরে সাম্পানওয়ালা মৌসুমী
বাংলার বউ মৌসুমী
২০০৮
আমার আছে জল সাব্বির আহমেদ হুমায়ূন আহমেদ মেহের আফরোজ শাওন
তুই যদি আমার হইতি রে কালাম কায়সার মৌসুমী, শাকিব খান
ছোট বোন সুজাউর রহমান সুজা শাবনূর, শিমলা
স্বামী নিয়ে যুদ্ধ আজাদী হাসনাত ফিরোজ শাবনূর, কাকন
আয়নাতে দুলাল দে মৌসুমী
গোলাপজান মৌসুমী
বিয়ের লগ্ন এফ এই মানিক রচনা ব্যানার্জী
বধূবরণ নজরুল ইসলাম খান মৌসুমী, আমিন খান
এ চোখে শুধু তুমি সায়মন তারেক শাবনূর, শাহনূর
সোনার ময়না পাখি মৌসুমী
মায়ের স্বপ্ন ইলিয়াস কাঞ্চন পপি
বাবা আমার বাবা ইলিয়াস কাঞ্চন মৌসুমী
রূপান্তর আবু সাইয়ীদ শাকিবা
২০০৯
কে আমি ওয়াকিল আহমেদ রিয়াজ, পূর্ণিমা বিশেষ অতিথি (গানে)
শুভ বিবাহ রাজীব দেবাশীষ বিশ্বাস অপু বিশ্বাস
গঙ্গাযাত্রা প্রকাশ সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড পপি
বিজয়ী: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা[৮]
তুমি কি সেই আবুল কালাম আজাদ কেয়া, রত্না
২০১০
ওপারে আকাশ পপি
গোলাপী এখন বিলাতে আমজাদ হোসেন মৌসুমী, শাবনূর
অবুঝ বউ অপূর্ব নার্গিস আক্তার ববিতা, প্রিয়াঙ্কা
জাগো শামীম খিজির হায়াৎ খান আফসানা আরা বিন্দু, আরেফিন শুভ
২০১১
গেরিলা হাসান আহমেদ নাসির উদ্দিন ইউসুফ জয়া আহসান
কুসুম কুসুম প্রেম হাশেম মুশফিকুর রহমান গুলজার মৌসুমী
বিজয়ী: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা
কে আপন কে পর শাহিন সুমন অমিত হাসান, অপু বিশ্বাস বিশেষ অতিথি (গানে)
ফাইটার এসিপি বোস রবি কিনাগী জিৎ,শ্রাবন্তী কলকাতার চলচ্চিত্র
২০১২
খোকাবাবু শংকর দাস ডি. শংকার দেব, শুভশ্রী
খোলা হাওয়া অনুপ দাশ ঋতুপর্ণা
হঠাৎ সেদিন সঞ্জয় বাসু চ্যাটার্জি ঋতুপর্ণা প্রযোজিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র
জিদ্দি বউ আবুল কালাম আজাদ শাবনূর
পুত্র এখন পয়সাওয়ালা নার্গিস আক্তার পপি
অন্তর্ধান ময়েজ সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড নিপুণ আক্তার
২০১৩
পরিচয় সেলিম রূপালি গুহ প্রসেনজিৎ
এমনোতো প্রেম হয় মোস্তাফিজুর রহমান মানিক শাবনূর
যুগে যুগে তুমি আমারই জাকির হোসেন রাজু অপু বিশ্বাস, শাকিব খান
কিছু আশা কিছু ভালোবাসা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক মৌসুমী, শাবনূর
ফিরে এসো আবার সাঈদুর রহমান সাঈদ পূর্ণিমা
অন্তর্ধান ময়েজ সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ড নিপুণ
২০১৪
বৃহন্নলা ডাঃ আবির মুরাদ পারভেজ সোহানা সাবা
এক কাপ চা শফিক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল মৌসুমী ও ঋতুপর্ণা
ফেরদৌস প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র
প্রিয়া তুমি সুখী হও গীতালি হাসান শায়লা সাবি
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প অতৃপ্ত কামনা অবলম্বনে
চার অক্ষরের ভালোবাসা জাকির খান পপি, নিরব হোসেন
২০১৫
শোভনের স্বাধীনতা মানিক মানবিক নিপুণ আক্তার
দুই বেয়াইয়ের কীর্তি আবদুল্লাহ আল মামুন পপি
অনিল বাগচীর একদিন মোরশেদুল ইসলাম আরেফ সৈয়দ, জোতিকা জ্যোতি
হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস অবলম্বনে
আরও একবার অরিজিৎ হালদার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ইন্দ্রাণী হালদার
নয় ছয় রাফায়েল মৌটুসি বিশ্বাস, আলিশা প্রধান
স্বর্গ থেকে নরক অরূপরতন চৌধুরী নিপুণ আক্তার
মনের অজান্তে জাকির খান রভিনা, নিরব হোসেন
২০১৬
কৃষ্ণপক্ষ আবরার মেহের আফরোজ শাওন রিয়াজ, মাহিয়া মাহী
মন জানেনা মনের ঠিকানা মুশফিকুর রহমান গুলজার মৌসুমী
ভালবাসবোই তো মোস্তাফিজুর রহমান মানিক শাবনূর
কতদিন দেখিনি তোমায় মোস্তাফিজুর রহমান মানিক শাবনূর
বাদশা জিৎ, নুসরাত ফারিয়া মাজহার
রঙ কেন বিশ্ব রঙ বিপ্লব সাহা হিমি
টেলিভিশন উপস্থাপক
  • মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার – ২০০৯
পুরস্কার ও সম্মাননা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
  • বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮)
  • বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – গঙ্গাযাত্রা (যৌথভাবে চঞ্চল চৌধুরী’র সাথে মনপুরা ছবির জন্য) (২০০৯)
  • বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – কুসুম কুসুম প্রেম (২০১১)
  • বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – এক কাপ চা (২০১৪)
  • বাচসাস পুরস্কার
  • বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – গঙ্গাযাত্রা (২০০৯)
    মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
  • মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (পুরুষ) (দর্শক জরিপ) – গেরিলা (২০১১)
    মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (পুরুষ) (দর্শক জরিপ) – হঠাৎ সেদিন (২০১২)
    মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (পুরুষ) (দর্শক জরিপ) – বৃহন্নলা (২০১৪)
    টেলি সিনে অ্যাওয়ার্ডস – ২০১৫