free hit counter
বাংলাদেশ

রাতের বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম নগরী

চট্টগ্রামে শুক্রবার (১৭ জুন) সারারাত ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এতে নগরীর বেশিরভাগ এলাকা ডুবে গেছে। শনিবার (১৮ জুন) সকাল থেকেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। পানি জমে আছে বেশকিছু নিচু এলাকায়। 

নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাড়িঘর ও অফিসসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। বিভিন্ন সড়কে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী। সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা থাকছে শত শত যানবাহন। 

এদিকে ভারী বৃষ্টিতে শুক্রবার রাতে আকবর শাহ থানা এলাকার পৃথক স্থানে পাহাড় ধসে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন পাঁচ জন। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টায় নগরীর আকবর শাহ থানার ১ নম্বর ঝিল এলাকা এবং শনিবার (১৮ জুন) ভোর ৪টায় ফয়’স লেক সি-ওয়ার্ল্ড গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

শনিবার সকালে বৃষ্টির সঙ্গে জোয়ারের পানি মিলে দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েক গুণ। নগরীর বহদ্দারহাট, ষোলশহর ২ নম্বর গেইট, মুরাদপুর, বাকলিয়া, ছোটপুল, বড়পোল, আগ্রাবাদ বেপারি পাড়া, মহুরিপাড়া, সিডিএ আবাসিক, আতুরার ডিপো  চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি ওঠে।

ইপিজেড এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বাবলা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শুক্রবার রাতের বৃষ্টিতে বাসা বাড়িতেও পানি ঢুকেছে। শনিবার সকালে বৃষ্টি কমেছে। তবে জোয়ারের পানির সঙ্গে বৃষ্টির পানি একত্রিত হয়ে আরেক দফা বাসায় পানি ঢুকেছে। ইপিজেড এলাকায় হাজারও মানুষের বাড়িতে পানি। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও প্রবেশ করেছে পানি। এ কারণে নষ্ট হয়েছে মালামাল।’

বিভিন্ন সড়কে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি

এদিকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের নিচ তলায় পানি প্রবেশ করেছে। এ কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ সংলগ্ন এলাকা এবং বাকলিয়া থানার বেশকিছু এলাকায় বাসা-বাড়িতে পানি ঢুকেছে।

চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্ববাস কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৯৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আজ ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা নেই। হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।

Source link