Image default
বাংলাদেশ

বিএনপি কাউকে সংখ্যালঘু মনে করে না: বরকতউল্লা বুলু

কুমিল্লায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, ‘যার নির্দেশে হামলা হলো তিনি কি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন? তিনি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হননি। তাই আপনাদের প্রয়োজন তাদের কাছে নেই। তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কাউকে সংখ্যালঘু মনে করে না।  আমাদের কাছে সবাই সমান । আমরা চাই ভোটের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরে আসুক। সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।’

কুমিল্লায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ মিছিলে আওয়ামী লীগের ধাওয়া ও মারধরের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।

শনিবার (২১ অক্টোবর) বিএনপির প্রতিনিধিদল কুমিল্লা রানীরবাজার হয়ে ঠাকুরপাড়া কালি মন্দিরে যান। সেখানে হামলায় আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের খোঁজখবর নেন।

বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানান, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভে হামলায় আহতদের দেখতে ও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন বিএনপির পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটি। এ সময় তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য বিজন কান্তি সরকার, কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আ্‌বায়ক উদবাতুল বারী আবু, সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিনসহ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সম্প্রতি কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে পূজা উদযাপন নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের ‘মদমুক্ত পূজা’ করার আহ্বান জানিয়ে দেওয়া একটি বক্তব্য নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের দফতর সম্পাদক মিহির রঞ্জন হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিনের বক্তব্যকে ‘সাম্প্রদায়িক উক্তি’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

ঘটনার বিস্তারিত শুনছে বিএনপির তদন্ত কমিটি

এই বক্তব্যসহ আরও কয়েকটি দাবিতে গত শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করে বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ। এ সময় মিছিলের হামলার অভিযোগ ওঠে মহানগর যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত হন তিন জন। সেদিন বিকালে তাদের দেখতে যান জেলা প্রশাসক মু. মুশফিকুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান। এ সময় তারা সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।

এ ঘটনায় ৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য দাস টিটু। দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় ‘তদন্ত কমিটি’ করেছে বিএনপি। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলুকে প্রধান করে করা কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস।

Source link

Related posts

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৪৮ জনের মৃত্যু

News Desk

প্রাণ ফিরছে মৌলভীবাজারে

News Desk

টিআর-কাবিখার চাল ব্যবসায়ীদের গুদামে, পাচ্ছেন না শ্রমিকরা

News Desk

Leave a Comment