free hit counter
বাংলাদেশ

পর্যটক বরণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম

ঈদে পর্যটকদের সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত চট্টগ্রামের সবকটি বিনোদন কেন্দ্র। দর্শনার্থী টানতে বিনোদন স্পটগুলো সেজেছে বর্ণিল সাজে। চলছে শেষ মুহূর্তের ধোয়ামোছা। রঙ করা হচ্ছে বিভিন্ন রাইডে।

ঈদের দিন থেকে খোলা থাকবে চট্টগ্রামের সবকটি বিনোদন কেন্দ্র। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—  চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, আনোয়ারা পারকি সৈকত, কনকর্ড ফয়স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ও ওয়াটার পার্ক সি ওয়ার্ল্ড, কাজির দেউড়ি শিশু পার্ক, বহদ্দারহাট স্বাধীনতা পার্ক, আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক, পতেঙ্গা বাটারফ্লাই পার্ক, পতেঙ্গা নেভাল। উপজেলা পর্যায়ের বাকি বিনোদন কেন্দ্রগুলোও থাকবে খোলা।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার চিকিৎসক ও ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঈদে দর্শনার্থীদের বরণে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদের দিন সকাল থেকে চিড়িয়াখানা খোলা থাকবে। আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন রাইডে রঙ করা হচ্ছে। ধোয়ামোছার কাজও শেষের দিকে।’

তিনি বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার ঈদের চার-পাঁচ দিনে প্রায় ৭০-৮০ হাজার দর্শনার্থী আসার সম্ভাবনা আছে। সে লক্ষ্যে আমরা কিছু মেরামতও করেছি। চিড়িয়াখানায় এখন শিশুদের জন্য ফ্রি রাইডও আছে।’

চিড়িয়াখানার পাশেই নগরীর কনকর্ড ফয়স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ও ওয়াটার পার্ক সি-ওয়ার্ল্ড সেজেছে নতুন সাজে। পর্যটকদের আকর্ষণ করতে সেখানেও নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।

ফয়স পার্কের ডেপুটি ম্যানেজার (মার্কেটিং) বিশ্বজিৎ ঘোষ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘পর্যটক বরণে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। যে রাইডগুলো নষ্ট ছিল সেগুলোর সংস্কার হয়েছে। সব রাইডের সৌন্দর্য বাড়ানো হয়েছে। পার্কটাকে আরও আধুনিক করেছি। লেকে ভ্রমণের জন্য নতুন ইঞ্জিন বোট যুক্ত করা হয়েছে। পর্যটকদের জন্য কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা রিসোর্ট-বাংলো সংস্কার করা হয়েছে। ঈদের দিন দুপুর দেড়টা থেকে পার্ক খোলা থাকবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আশা করছি ঈদের সাত দিনে অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ হাজার পর্যটক আসবেন।’

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় দায়িত্বরত ট্যুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. ইস্রাফিল মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় পুলিশ সদর দফতর থেকে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছি। টহল পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশ। কোনও নারীকে হয়রানির তথ্য পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Source link