free hit counter
বাংলাদেশ

পর্যটকদের লাঠিপেটার ঘটনায় ২ স্বেচ্ছাসেবক আটক

টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে ঈদের ছুটিতে সিলেটের জাফলংয়ে বেড়াতে আসা পর্যটকদের লাঠিপেটার ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (০৫ মে) বিকাল ৩টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) লুৎফর রহমান।

আটককৃতরা হলেন উপজেলার পন্নগ্রামের মৃত রাখাল চন্দ্র দাসের ছেলে লক্ষ্মণ চন্দ্র দাস (২১) ও একই ইসলামপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সেলিম আহমেদ (২০)। তারা উপজেলা প্রশাসনের টোল কাউন্টারে নিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের লাঠিপেটার ঘটনা ঘটে। এ সময় তিন নারী পর্যটককে লাঞ্ছিত করেন তারা।
 
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সিলেট থেকে একটি পরিবার জাফলংয়ে বেড়াতে আসে। জাফলং ট্যুরিস্ট স্পটে প্রবেশ করতে চায় তারা। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের টোল কাউন্টারে টিকিট কাটা নিয়ে তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় সেখানে নিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবকদের। এর জের ধরে নারী-পুরুষসহ ছয় পর্যটকের হামলা চালান স্বেচ্ছাসেবকরা। এ সময় তাদের লাঠিপেটা করেন তারা। এতে তিন পর্যটক আহত হয়েছেন।

গোয়াইনঘাট থানার ওসি কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পর্যটকদের ওপর হামলার ভিডিও ফুটেজ দেখেছি আমরা। ফুটেজ দেখে এরই মধ্যে দুই স্বেচ্ছাসেবককে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন, তাদেরও আটকের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিলুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। ঘটনায় জড়িত দুই স্বেচ্ছাসেবককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।’ 

পর্যটকদের ওপর হামলার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে। তবে পর্যটকরা জানিয়েছেন, তাদের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।’

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) লুৎফর রহমান বলেন, ‘ঘটনার পরপরই দুই স্বেচ্ছাসেবককে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

Source link