free hit counter
বাংলাদেশ

ডুবেছে ভোলার নিম্নাঞ্চল

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারে মেঘনা আর তেতুলিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া দ্বীপ জেলা ভোলার বেড়িবাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চল ২-৩ ফুট উচ্চতার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই এলাকার রাস্তা-ঘাট, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুর থেকে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে বাঁধের বাইরের নিচু এলাকা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কমপক্ষে ২৫ হাজার মানুষ। তবে এ পর্যন্ত কোথাও কোনও ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। 

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, পূর্ণিমার প্রভাব এবং বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির কারণে পানি বেড়ে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ।

পাউবো সূত্র জানায়, পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে তলিয়ে গেছে উপকূলের বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা। জোয়ারের পানিতে বাঁধের বাইরের অন্তত ২০টি নিচু এলাকা ডুবে গেছে। রাস্তা-ঘাট ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। 

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডিভিশন-১ এর প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, উজানের পানির চাপে ও মেঘনার পানি বিপৎসীমায় ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মেঘনার পানি দুপুরে বিপৎসীসার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আরও কিছুদিন এ অবস্থা বিরাজ করতে পারে বলে জানান তিনি।

ভোলার মেঘনার তীরবর্তী সদরের নাছির মাঝি, রাজাপুর, মনপুরার চরনিজাম, কলাতলীর চর, চরযতীন, চরজ্ঞান, চরফ্যাশনের কুকরিমুকরি, ঢালচর, চরপাতিলা, মাঝেরচর, চরশাহজালাল, কচুয়াখালীর চরসহ ২০ চর প্লাাবিত হয়েছে।

 ভোলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলী হোসেন, ও কালাম মাঝি এলাকার বাসিন্দা গনী মিয়া বলেন, বর্ষায় এলে আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। বর্ষায় জোয়ারের পানি বাড়ার কারণে রাস্তাঘাট সব ডুবে যায়।

চরফ্যাশনের কুকরিমুকরি ইউপি চেয়ারম্যান হাসেম মহাজন বলেন, পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারে কুকরিমুকরি ঢালচরসহ এখানকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন  অনেক মানুষ।

Source link