Image default
বাংলাদেশ

ডাকাতি করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জন গ্রেফতার

খুলনার হরিণটানা থানাধীন ঘোলা গ্রামে দস্যুতা ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) রাত অনুমান ২টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে হরিণটানা থানাধীন ঘোলা গ্রামের একটি বাড়িতে তিন জন অজ্ঞাত ব্যক্তি দস্যুতা ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণসহ স্বর্ণালঙ্কার লুণ্ঠন করে। ধর্ষণের শিকার তরুণীকে (২৯) খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। তার তথ্যানুযায়ী পুলিশ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার তিন জনকে গ্রেফতার করেছে। 

গ্রেফতাররা হলো, জেলার ডুমুরিয়া থানাধীন এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ ফৌজদার (৩০), বটিয়াঘাটার মিঠুন বিশ্বাস (৩৫) ও ডুমুরিয়ার ধীমান ফৌজদার (৩৫)। এসময় লুট করা স্বর্ণালঙ্কারও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার বাদী উদ্ধারকৃত মালামাল শনাক্ত করেছেন। 

হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাত ২টার পর কোনো এক সময়ে গেটের গ্রিল ভেঙে ওই বাড়িতে ডাকাতির জন্য প্রবেশ করেন তিন ব্যক্তি। এ সময় তারা চেতনানাশক স্প্রে করে মেয়েটির বাবা ও মাকে অচেতন করে ফেলেন। পরে মেয়েটিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ডাকাত দল প্রায় ৩ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে চলে যায় তারা। 

ওসি বলেন, মেয়েটির দেওয়া তথ্যানুযায়ী অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার ধর্ষক গোবিন্দকে আটক করা হয়। মেয়েটির বাবা গোবিন্দকে প্রধান আসামি করে ও অজ্ঞাত দুজনকে আসামি করে হরিণটানা থানায় মামলা করেন। এরপর গোবিন্দর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ধীমান ও মিঠুনকে আটক করা হয়। তাদের কাছে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। সন্ধ্যায় গোবিন্দ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

Source link

Related posts

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের আরেক স্বপ্নপূরণ

News Desk

মহামারিতে উৎপাদন-রপ্তানি অব্যাহত রাখা বড় অর্জন: সালমান এফ রহমান

News Desk

পাহাড়ে ১৩০ চুল্লিতে গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, হুমকিতে পরিবেশ

News Desk

Leave a Comment