free hit counter
টিকা নিয়ে যেসকল প্রশ্নের উত্তর জানাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
বাংলাদেশ

টিকা নিয়ে যেসকল প্রশ্নের উত্তর জানাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

যারা করোনা প্রতিরোধে টিকার প্রথম ডোজ যে কেন্দ্র থেকে নিয়েছিলেন, সেখান থেকেই দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ডোজের জন্য এসএমএস পাওয়ার পর সেন্টারে গিয়ে টিকা নিতে হবে। লকডাউন, রোজা, দ্বিতীয় ডোজ এবং করোনামুক্ত হওয়ার কত দিনের মাথায় টিকা নেওয়া যাবে—এ ধরনের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানানো হয়।

রোজায় টিকা নেওয়া বিষয়ে মীরজাদী বলেন, রোজায় টিকা নেওয়া যাবে কি না, এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। তারা জানিয়েছে, রোজার মধ্যে টিকা নিতে কোনো বাধা নেই। সৌদি আরবসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশেও টিকা কার্যক্রম চলছে।

করোনামুক্ত হলে কত দিন পরে টিকা নেওয়া যাবে এ বিষয়ে মীরজাদী জানান, করোনা নেগেটিভ হওয়ার এক মাস পর টিকা নেওয়া যাবে। প্রথম ও দ্বিতীয়—দুই ডোজের ক্ষেত্রেই এই সময় প্রযোজ্য।

দেশীয়ভাবে টিকা তৈরির কথা ভাবছে সরকার

সবার টিকা পাওয়া নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান মীরজাদী সেব্রিনা। তিনি বলেন, কোভ্যাক্সের সঙ্গে ২০ শতাংশ মানুষের জন্য টিকা পাওয়ার একটি চুক্তি রয়েছে। যেকোনো সময়ে তা আসবে। রাজস্ব খাত থেকে যে তিন কোটি ডোজ কেনা হয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে আসছে। এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের একটি প্রকল্পে ৫০০ মিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে টিকা কার্যক্রমের জন্য। এডিবির সঙ্গেও আরেকটি ৯৪০ মিলিয়ন ডলারের কাজ হচ্ছে। সরকার শুধু অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ওপর নির্ভর না করে অন্যান্য দেশ যারা টিকা বানাচ্ছে, সেখান থেকে আনা যায় কি না, সেই চেষ্টাও করছে। এ ছাড়া দেশীয়ভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি টিকা প্রস্তুত করতে পারে, সে বিষয়েও ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৭ লাখ ৩৩ হাজার

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত করোনার প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে ৫৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৩ জনকে। আর ৭ লাখ ৩৩ হাজার ১৭৫ জনকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। দুই ডোজের টিকা দেওয়া চলমান। এ ছাড়া জানানো হয়, যাঁরা অফিশিয়াল কাজের জন্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বদলি হয়েছেন, তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ পাওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছে।

অ্যান্টিজেন টেস্ট করানোরও পরামর্শ

করোনার চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও কিছু তথ্য দিয়েছে। করোনার জন্য সারা দেশে শয্যা আছে ৭ হাজার ৪২০টি, আইসিইউ ৪১১টি, ভেন্টিলেটর ৪৪২টি, অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে ১৬ হাজার ৪৯৮টি, হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা ৬৩৬টি এবং অক্সিজেন কনসেনট্রেটর আছে ৪৬৭টি। করোনা ছাড়াও অন্যান্য নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি এখনো চলছে। করোনা পরীক্ষা নিয়ে সমস্যা হলে অ্যান্টিজেন টেস্ট করানোর পরামর্শও দেওয়া হয়।

করোনার বুলেটিন সপ্তাহে দুই দিন

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার খুরশীদ আলম জানান, এখন থেকে সপ্তাহে দুই দিন করোনা বুলেটিন সরাসরি প্রচার করা হবে। অধিদপ্তরের দুজন মুখপাত্র সেখানে নিয়মিত অগ্রগতিসহ বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

Related posts

টিকাদান শুরু আগামী সপ্তাহে, হল খুলবে ঈদের পর

News Desk

২০০ টন অক্সিজেন নিয়ে বেনাপোল স্থল বন্দরে ভারতের অক্সিজেন এক্সপ্রেস

News Desk

নমুনা পরীক্ষায় আজও শনাক্তের হার ১৯ শতাংশের ওপরে

News Desk