free hit counter
ইয়াসের প্রভাবে সেন্টমার্টিনের জেটি বিধ্বস্ত
বাংলাদেশ

ইয়াসের প্রভাবে সেন্টমার্টিনের জেটি বিধ্বস্ত

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে প্রবল জোয়ারের পানিতে কক্সবাজারের টেকনাফের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটিটি বিধ্বস্ত হয়েছে। যে জেটি দিয়ে পর্যটকসহ দ্বীপের বাসিন্দারা যাতায়াত করতেন। এছাড়াও উপড়ে পড়েছে গাছপালা। তবে মানুষের জানমাল রক্ষায় সব ধরনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। যেখানে প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ বসবাস করে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে শঙ্কিত দ্বীপের বাসিন্দারা।

দ্বীপের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আতঙ্কে দ্বীপের মানুষ নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে। বুধবার (২৬ মে) সকাল থেকে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি বয়ে যাচ্ছে। তার চেয়ে বেশি আঘাত হানছে প্রবল জোয়ারের পানি। জোয়ারের পানিতে দ্বীপের পাড়ের গাছপালা উপড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও ভাঙছে রাস্তাঘাট। দ্বীপের সবাই ভয়ে আছেন। সেন্টমার্টিন দ্বীপের আরেক বাসিন্দা ফাহাদ রহমান বলেন, দ্বীপের একমাত্র জেটিটি সাগরের ঢেউয়ের আঘাতে ভেঙে গেছে। রাস্তাঘাট ও গাছপালাও ভেঙে পড়ছে। দ্বীপে জোয়ারের পানি ঢুকে গেছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, দ্বীপের লোকজনক সরিয়ে নেওয়ার মত পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। যদি সংকেত ৪ নম্বর দেয়, তখন মাইকিং করে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে সব ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে দ্বীপের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকের অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে। রাস্তাঘাট ভাঙছে। আর প্রবল জোয়ারের পানিতে বালিয়াড়িতে থাকা পাঁচটি ট্রলার ভেঙে গেছে। এছাড়াও প্রবল জোয়ারের পানিতে জেটিটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশনের ইনচার্জ লে. কমান্ডার রাসেল মিয়া বলেন, দ্বীপে সব মিলিয়ে বাসিন্দা রয়েছে ১০ হাজার ২৬ জন। দ্বীপের হোটেল, রিসোর্ট, স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ মিলে ৩০টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে ছয় হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে প্রবল জোয়ারের পানিতে জেটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব ধরণের ট্রলার চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আর ছোট ট্রলার, নৌকা ও স্পিডবোটসমূহ দ্বীপের উপকূলে নোঙর করে রাখা হয়েছে। আশা করি সবার সমন্বয়ে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব হবে।

Related posts

ওমানে করোনায় প্রাণ গেলো রাউজানের দুই ভাইয়ের

News Desk

চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

News Desk

চট্টগ্রামে একদিনে আরও দুইজনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৯

News Desk
Bednet steunen 2023