free hit counter
বাংলাদেশ

ইভিএমে ধীরগতি, দুর্ভোগ ভোটারদের

যতই বেলা বাড়ছে ততই দীর্ঘ হচ্ছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে ভোটারদের সারি। বুধবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও সাড়ে ৭টা থেকেই ভোটারদের ভিড় লাগে কেন্দ্রে কেন্দ্রে। সকাল ১০টা পর্যন্ত নগরীর ২৭ ওয়ার্ডের অন্তত ৩০টি কেন্দ্রে খবর নিয়ে দেখা গেছে, ভোটারের সারি দীর্ঘ হচ্ছে।

ভোটার, এজেন্ট, পোলিং এজেন্ট, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোটারের লাইন দীর্ঘ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো ইভিএমের ধীর গতি ও ভোটারদের ইভিএম সম্পর্কে অজ্ঞতা।

কুমিল্লা হাই স্কুল কেন্দ্রের ভোটার ফিরোজা আক্তার বলেন, ‘ভোট দিতে এসেছি ৮টায়। এখনও কম হলে ২৫ জনের পেছনে। এত আস্তে-ধীরে হইলে কীভাবে হবে? আমার বাড়িতে তিন মাসের বাচ্চা আছে। ভোট দিতে এসে কি আমাকে শাস্তি পোহাতে হবে?’

কুমিল্লা নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র-২ কেন্দ্রের ভোটার মাহামুদা বেগম বলেন, ‘পাওডি ফুইল্লা গেছে। তাই বইসা আছি। এক্কেরে বেনে (সকালে) আইছি। অক্কনও ভোটের কোনও নামগন্ধ নাই।’

হোচ্ছাম হায়দার উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোটার শীতলা রানী পাল বলেন, ‘কী আর করাম! কাম ফালাই আইছি। সাড়ে ৮টায় আইয়াও ভোট দিতাম পারছি না।’

কেন্দ্রের পাশের দেখা যায় অনেকে আড্ডা জমিয়েছেন। তাদের অনেকে জানিয়েছেন, সকালে এসেছেন। ভোট না দিতে পেরে আড্ডায় মেতেছেন। ভিড় কমলে প্রয়োজনে বিকালে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরবেন।

কুমিল্লা হাই স্কুল কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ফজলুল করিম বলেন, ‘ভোটাররা আসলে ভোট দেওয়ার নিয়মই জানেন না। ইভিএমের সামনে অনেকে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। বোঝেন না, কী করা উচিত। তা ছাড়া মেশিনও ধীরগতিতে চলছে। তাই দেরি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এই কেন্দ্রে আট হাজারের মধ্যে প্রায় ৬০০ ভোট কাস্ট হয়েছে।’

কুমিল্লা নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র-২ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, একজন ভোটার ১০ মিনিটও সময় নিচ্ছেন। এর মধ্যে ইভিএমও সামান্য স্লো। মানুষ বুঝে উঠতে পারছেন না কী করতে হবে। এই কেন্দ্রে ভোটার ১৬২৪ জন। বুথ পাঁচটি, তারপরেও কাস্ট হয়েছে মাত্র ৪০০ ভোট।

Source link