Image default
বাংলাদেশ

আড়াই হাজার নার্সকে ১১ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবায় নিয়োজিত ২ হাজার ৬৭৯ জন নার্সকে দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দিচ্ছে সরকার। দেশের ২২টি হাসপাতালের এসব নার্সদের ১১ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার ৩০০ টাকা দেওয়া হবে।

গতকাল বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবায় সরাসরি নিয়োজিত নার্সরা এককালীন বিশেষ সম্মানি হিসেবে এ টাকা পাবেন। তবে যারা আউটসোর্সিং হিসেবে কাজ করেছেন তাদেরকে কোনোভাবেই এ টাকা দেওয়া যাবে না। এ অর্থ বিতরণ করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অর্থ বিভাগকে জানাতে বলা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, এ অর্থ প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অথোরাইজেশন জারির মাধ্যমে বরাদ্দ প্রদান করতে হবে। স্বাস্থ্য বিভাগ জুলাই ২০২০ মাসের আহরিত মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ সম্মানী হিসেবে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে দুই মাসের সমপরিমাণ অর্থে কিছুটা ওঠানামা করতে পারে। এ সম্মানী প্রদানের বিষয়টি আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অর্থ বিভাগকে অবহিত করতে হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য সম্মানি বাবদ ১৫০ কোটি টাকার অব্যয়িত অর্থ থেকে এ টাকা বিরতণ করা হচ্ছে। ২২টি হাসপাতালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রণোদনা পাচ্ছে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ৪৮৪ নার্স। এরপর ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট মুগদা জেনারেল হাসপাতালের ৪৫৭ জন, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্টোলিভার হাসপাতালের ২৪৮ জন, বগুড়ার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ২৪৮ জন, কুয়েত মৈত্রি হাসপাতালের ২৬৫ জন, নারায়ণগঞ্জ ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১৮৫ জন, সিলেটের শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালে ১৫১ নার্স এ অর্থ পাচ্ছেন।

এছাড়া, প্রণোদনা পাচ্ছেন মুন্সিগঞ্জের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ২২ জন, কমলাপুর জেনারেল হাসপাতালের ১৮ জন, রাজারবাগ পুলিশ কেন্দ্রীয় হাসপাতালের ৮৬ জন, বসুন্ধরা অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালের ১৫ জন, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের ৩৩ জন, চাঁদপুরের ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের ৬২ জন, মিরপুর মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণের ৮২ জন, ঝিনাইদহের সদর হাসপাতালের ৩১ জন, নওঁগা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ৩১ জন, বরিশাল সদর হাসপাতালের ৫৪ জন, বাগেরহাটের সদর হাসপাতালের ৫০ জন, খুলনা করোনা ডেভিকেটেড হাসপাতালের ১০ জন, হবিগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ৬০ জন, চট্টগ্রামের হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালের ২৩ জন এবং মাদারীপুরের সদর ও কোভিড হাসপাতালে ৪০ জন।

Related posts

গ্রামকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হবে: গৃহায়নমন্ত্রী

News Desk

বন্যার পানি নামলেও ফেরার জায়গা নেই

News Desk

পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও পেলেন উপহারের ঘর

News Desk

Leave a Comment