5 আগস্ট, 2024-এ রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগে থেকেই সাকিব আল হাসান দেশের বাইরে ছিলেন। জাতীয় দলে তার প্রত্যাবর্তন সম্প্রতি বেশ বিতর্কিত হয়েছে। এদিকে, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাকিবের প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি সামনে আসার পর তিনি এর আগে সাকিবের প্রতি ইতিবাচক অবস্থান প্রকাশ করেছিলেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়িয়েছে যে সাকিব ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে পা রাখবেন। এর ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে তাকে দেখা যাবে। তবে এই গুজব অস্বীকার করেছেন শাকিব।
থেমে থাকেনি সাকিবের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া। সেন্ট্রাল ব্যাংক অব বাহরাইনের পরিচালক আসিফ আকবর বলেন, এ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তাছাড়া শাকিবের সঙ্গে নিয়মিত কথা হয় তার।
1. <\/span><\/span>“}”>
আমি সাকিবের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলি,” শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক টকশোতে আসিফ আকবর বলেন। গতবার যখন আমেরিকা গিয়েছিলাম সেখানেও কথা হয়েছিল। সাকিব বলেছিল সে খেলতে চায়। এরপর বোর্ডের সব সদস্যের অনুমোদন নিয়ে আমরা সাকিবকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে চেয়েছিলাম।
শাকিবের বিরুদ্ধে দায়ের করা পুরনো আইনি মামলা ও ইস্যু প্রসঙ্গে আসিফ বলেন, আমি সাকিবের মামলা বা অন্যান্য বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের বিষয়ে বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তার আইনজীবী। আমরা রবিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মামলার ফাইল পৌঁছে দেব এবং পরবর্তী দায়িত্ব সরকারের। সাকিবের মামলার ফাইল রোববার থেকে সোমবারের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে আশা করছি।

