Image default
খেলা

পিএসএলে সতীর্থকে চড় মেরেও অল্পেই পার পাকিস্তানি পেসার

নিজের বলে ব্যাটসম্যানের ক্যাচ ফিল্ডারের হাতছাড়া হয়ে গেলে কোন বোলারেরই-বা ভালো লাগবে? কিন্তু সেটির জন্য ফিল্ডারকে চড়ই মেরে বসবেন বোলার! পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) গতকাল তেমনই হয়েছে।

কাণ্ডটা ঘটিয়েছেন পাকিস্তানের পেসার হারিস রউফ। পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে গতকাল মাঠে নেমেছিল হারিসের লাহোর কালান্দার্স। ম্যাচে তাঁর বলে ক্যাচ হাতছাড়া করায় সতীর্থ কামরান গুলামকে চড় মেরে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন হারিস।

তবে এমন বিতর্কিত কাণ্ডের পরও বড় কোনো শাস্তি পেতে হয়নি হারিসকে। পাকিস্তানের ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকেট পাকিস্তানের খবর, ম্যাচের পর হারিসকে ডেকে পাঠান ম্যাচ রেফারি আলি নাকভি। কিন্তু শুধু সতর্ক করেই হারিসকে ছেড়ে দিয়েছেন ম্যাচ রেফারি।

পয়েন্ট তালিকার দুই নম্বরে থাকা লাহোরের সঙ্গে তিনে থাকা পেশোয়ারের ম্যাচটা ছিল প্লে-অফে কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নেওয়ার। রানরেটে অনেক এগিয়ে থাকায় খুব বড় ব্যবধানে না হারলে অবশ্য কোয়ালিফায়ারে খেলা অনেকটা নিশ্চিতই ছিল লাহোরের। শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারে গিয়ে ম্যাচটা হেরেছে লাহোর, তবে পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে থেকে নিশ্চিত করেছে কোয়ালিফায়ারে খেলা।

ম্যাচে বল হাতে ৪ ওভারে ৩৬ রানে ১ উইকেট নেওয়া হারিস ব্যাট হাতে প্রথম বলেই আউট হয়ে গেছেন কোনো রান না করে।

কিন্তু বলে-ব্যাটে সেভাবে আলো ছড়াতে না পারলেও বিতর্কে নাম লিখিয়ে আলোচনায় এলেন হারিস। ম্যাচের দ্বিতীয় ও হারিসের প্রথম ওভারের ঘটনা। আগে ব্যাট করা পেশোয়ার প্রথম ওভারে তুলেছিল ৭ রান, দ্বিতীয় ওভারে হারিস বল করতে এলে প্রথম বলে হয় ১ রান। দ্বিতীয় বলেই ওঠে ক্যাচ। কিন্তু পয়েন্টে ক্যাচটা ধরতে পারেননি কামরান। তাতেই হারিসের মেজাজ সপ্তমে!

ওই ওভারেই তিন বল পরই উইকেট পান হারিস, কিন্তু কামরানের ওই ক্যাচ হাতছাড়া করা নিয়ে রাগ বুঝি যায়নি তাঁর। উইকেটের উদ্‌যাপনে সতীর্থরা সবাই তাঁকে ঘিরে ধরলে কামরানের মাথায় চড় মারেন হারিস। যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে হারিসের সমর্থনে বলছিলেন, এটা সত্যিকারের চড় নয়, আসলে ‘আদুরে শাসনে’র জন্যই এভাবে চড় মেরেছেন হারিস।

পিএসএলে সতীর্থকে চড় মেরেও অল্পেই পার পাকিস্তানি পেসার
পেশোয়ারের ইনিংসের শেষ দিকে কামরানের সরাসরি থ্রো-তে রানআউট হন পেশোয়ার অধিনায়ক ওয়াহাব রিয়াজ, তখন অবশ্য কামরানকে জড়িয়ে ধরেন হারিস। এবার কামরানের মাথায় আলতো টোকা দেন। তবে এটি যে আগের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইতে আদর করেই দেওয়া টোকা, তা বুঝতে কারও সমস্যা হয়নি।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ম্যাচ শেষে রেফারিকে হারিস বলেছেন, কামরানকে তাঁর চড় কোনো বিদ্বেষ থেকে ছিল না, বরং আদর করেই মেরেছেন। সে কারণেই কিনা, এ যাত্রায় অল্পতে পার পেয়ে গেলেন ২৮ বছর বয়সী পাকিস্তানি পেসার।

Related posts

অ্যান্টনি রিচার্ডসন গল্প কোল্টস লকার রুমে সন্দেহ উত্থাপন করেছে: ‘কোন দৃষ্টি নেই’

News Desk

লাইবেরন জেমস কি কোনও সৈনিককে ডেনির আইটনকে একটি নির্ভরযোগ্য কেন্দ্রে রূপান্তর করতে সহায়তা করতে পারে?

News Desk

এলএসইউর ব্রায়ান কেলি মনে করেন কলেজ ফুটবলের এনআইএল সিস্টেমটি “একেবারে পাগল” যার বেতনের ক্যাপ নেই

News Desk

Leave a Comment