আগামী মাসে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের লিগ পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। তবে নিরাপত্তা শঙ্কায় দলটিকে দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
রোববার (৪ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্রাজিলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ খবর নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশের ম্যাচের ভেন্যু ভারতের বাইরে সরিয়ে নিতে আইসিসির কাছে আবেদন করেছে ক্রিকেট বোর্ড। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নিলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
<\/span>“}”>
বাংলাদেশ ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ পড়ার পর সরকার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সব ম্যাচ ও ইভেন্ট স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ফিরোজ খান স্বাক্ষরিত। এরপর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
এ ব্যাপারে এবং বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত থেকে দূরে অংশগ্রহণকারী স্বাগতিক দেশ শ্রীলঙ্কার মাটিতে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যাপারে আইসিসির ইতিবাচক অবস্থান রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ। সূচি পরিবর্তন করা হলে ভারত আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
<\/span>“}”>

পূর্ব ঘোষিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এডেন স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৬৩,০০০ দর্শক। একটিতে এ সংখ্যা ৩৩ হাজার। বাংলাদেশের চারটি ম্যাচের জন্য মোট ২ লাখ ২২ লাখ টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা ছিল। বাংলাদেশের ম্যাচের টিকিটের মূল্য সর্বনিম্ন ১০০ থেকে ৩০০ টাকা রাখা হয়েছে।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টিকিটের মালিকানা আইসিসি বিজনেস কর্পোরেশনের। যেহেতু ভারতীয় বোর্ড বিশ্বকাপের একমাত্র আয়োজক, তাই তারা টিকিট বিক্রি থেকে পুরো টাকা পাবে না। কিন্তু ম্যাচডে উদ্বৃত্ত, স্থানীয় স্পনসরশিপ এবং আতিথেয়তার চাহিদা (ভিআইপি ফান্ড) থেকে তাদের ভাল অর্থ উপার্জন করার কথা ছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচটি ভারত থেকে স্থানান্তরিত হওয়ার পর ওই জায়গায় অন্য কোনো ম্যাচ অনুষ্ঠিত না হলে। এই ক্ষেত্রে BCCI-এর ক্ষতি হতে পারে 7-30 কোটি টাকা (অনুমান করে 60-90% উপস্থিতি এবং গড় টিকিটের মূল্য 500-1500 টাকা)। কিন্তু বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর পরিবর্তে একই ভেন্যুতে আরেকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে।

