টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ডি গ্রুপে আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার উন্মত্ত ম্যাচের সাক্ষী ক্রিকেট বিশ্ব। মূল ম্যাচটি ছিল ড্র। এরপর ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। টাইও আছে। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় সুপার বোলে শেষ হাসি পায় প্রোটিয়ারা।
বুধবার (11 ফেব্রুয়ারি) আহমেদাবাদে, দক্ষিণ আফ্রিকা টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে রায়ান রিকেল্টন এবং কুইন্টন ডি ককের অর্ধশতকের জুটিতে। আফগানিস্তানও জয়ের পথে ছিল এবং লক্ষ্য তাড়া করছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আফগানরা টানা উইকেট হারিয়ে স্টাম্পড হয়ে যায়।
<\/span>“}”>
ফাইনালে জিততে আফগানিস্তানের দরকার ছিল ১৩ রান। তার হাতে একটি উইকেট ছিল। বোলিং করতে আসেন কাগিসো রাবাদার। প্রথম ডেলিভারি ছিল না, পরের ডেলিভারি ওয়াইড! এরপর আরেকটি নো বল। চতুর্থ লিগ্যাল বলে ফজলুল হক ফারুকী রানআউটের ফাঁদে পড়লে ম্যাচ টাই হয়ে যায়। 19 ওভার এবং 4 বলে 187 রানে অলআউট হয়ে যায় আফগানিস্তান।
ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে ব্যাট করতে আসেন দুই আফগান ব্যাটসম্যান আজমতুল্লাহ ওমরজাই ও রহমানুল্লাহ গুরবাজ। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলতে এসেছিলেন লুঙ্গি এনগিদি। প্রথম দুই বলে দুটি বাউন্ডারি মারেন উমরজাই। পরের চার বলে ছয় ব্যাক পয়েন্ট।
<\/span>“}”>

পরের দুই বলে দুই সিঙ্গেল। পঞ্চম বলে আরেকটি বাউন্ডারি পান উমরজাই। আপনি শেষ বল থেকে এক রাউন্ডের বেশি পেতে পারবেন না। তারা স্কোরবোর্ডে 17 পয়েন্ট রাখে।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ব্যাট করতে নামেন ডেভিড মিলার ও ডিওয়ার্ল্ড ব্রুইস। বোলিংয়ে ফজলুল হক ফারুকী। মিলার প্রথম বলেই একটি নেন। দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকান প্রিভেস। কিন্তু পরের বলেই আউট হয়ে যান তিনি। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রোটিয়াদের দরকার ছিল সাত রান। স্টাবস ছক্কায় খেলা বেঁধে দেন।
<\/span>“}”>

দুই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার এবং ট্রিস্টান স্টাবস দ্বিতীয় সুপার বোলে ঝড় তোলেন। তিনটি ছক্কা মেরে 23 রানের বড় পুঁজি গড়েন তারা। আফগানিস্তানের জয়ের লক্ষ্য 24 পয়েন্টে।
দুই বল খেলে ড্রেসিংরুমে ফেরেন মোহাম্মদ নবী। তবে পরের তিন বলে তিনটি ছক্কা মেরেছেন গুরবাজ। জয়ের জন্য শেষ বল থেকে দরকার ছিল ৬ রান। কেশব মহারাজের ক্রস ম্যাচে আরও নাটকীয় মোড় নেয়। শেষ বলেই ক্যাচ দেন গুরবাজ। চার রানে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা।

