চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চমক দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে। সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে সিকান্দার রাজার দল। জিম্বাবুয়ে তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে এজেডকে ২৩ পয়েন্টে হারিয়েছে।
এই জয়ের পর জিম্বাবুয়ে গ্রুপ বি-তে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তারা ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেয়েছে। একই ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। দুই পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া চতুর্থ স্থানে আয়ারল্যান্ড এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে ওমান।
<\/span>“}”>
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ট্র্যাভিস হেড শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে জিম্বাবুয়েকে পাঠান। জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে।
জিম্বাবুয়ের ওপেনিং জুটি থেকে এসেছে ৬১ পয়েন্ট। মাত্র ২১ বলে ৩৫ রান করে আউট হন ওপেনার তাদিয়ানসে মারুমনি। দ্বিতীয় উইকেট জুটি বড়। এবার ওপেনার ব্রায়ান বেনেট রায়ান পার্লের সঙ্গে ৭০ রানের জুটি গড়েন। পারলের ইনিংস থামে ৩০ রানে।

এরপর সিকান্দার রাজার সঙ্গে ইনিংস শেষ করতে নামেন বেনেট। ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করার পর ৬৪ ইনিংসে অপরাজিত থাকেন তিনি। মাত্র 56 বলে তার ইনিংসে সাতটি চার মেরেছেন তিনি। রাজা 25 পয়েন্টে অপরাজিত থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মার্কাস স্টয়নিস ও ক্যামেরন গ্রিন দুজনই একটি করে উইকেট নেন।
170 রানের জবাবে প্রথমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আজিরা। পাওয়ারপ্লেতে চারটি উইকেট নেন মেজারাবানি ও ইভান্স। এরপর দলের হাল ধরেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেনশ। দুজনে মিলে ৭৭টি ইনিংস গড়েন। কিন্তু ম্যাক্সওয়েল ফিরে গেলে দলকে জেতাতে পারেননি রেনশও।
<\/span>“}”>

ম্যাট রেনশ তার ব্যক্তিগত ফিফটি পূর্ণ করার পর একটি দলীয় সর্বোচ্চ 65 পয়েন্ট অর্জন করেন। ৩১ রান আসে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ব্যাট থেকে। ট্র্যাভিস হেড ১৭ পয়েন্ট করেন। দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের কেউই দশ উইকেটের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন আশীর্বাদ মুজারাবানি। তিনটি উইকেট নেন ব্র্যাড ইভান্স।

