ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়নি। একপেশে শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে পাত্তা দেয়নি চিটাগং রয়্যালস। নাজম হোসেন শান্তর দল ৬৩ পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানে শিরোপা জিতেছে।
এর মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো বিপিএল শিরোপা জিতেছে রাজশাহী। এর আগে ২০১৯-২০ বিপিএলে রাজশাহী রয়্যালস নামে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বিপিএলের ইতিহাসে চারবার ক্যাপ জিতেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তিনবার শিরোপা জিতেছে ঢাকা।
<\/span>“}”>
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মিরপুর শের-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করতে পাঠান চট্টগ্রামের অধিনায়ক মেহেদী হাসান। ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে রাজশাহী। তানজিদ তামিমের আগ্রাসন ও সাহেবজাদার ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে উদ্বোধনী জুটি গড়ে তোলে ৮৩ রান। ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন ফারহান।
এরপর কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে ক্রিজে পৌঁছান তানজিদ তামিম ৪৭ রানের জুটি। শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রান করেন।
<\/span>“}”>

তানজিদ তামিম ৬১ বলে সেঞ্চুরি করেন। ৬২ বলে ৬ চার ও ৭ ছক্কায় ১০০ রান করেন তিনি।
রাজশাহী নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে। নাজম হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে এসেছে ১১টি পিচ। এছাড়া ৭ ইনিংসে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম।
১৭৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে চিটাগং রয়্যালস। দলের 18 রান করার পর দুই ব্যাটসম্যান নাবালকের বলে ফিরে যান। ওপেনার নাঈম শেখ ১০ বলে ৯ রান করেন। দুই বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি মাহমুদ হাসান জয়।
<\/span>“}”>

চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে আসেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জাহিদুজ্জামান। তার সঙ্গে মির্জা বেগের কিছুক্ষণ ঝগড়া হয়। কিন্তু দুজনের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে ম্যাচটি চট্টগ্রামের নাগালের বাইরে চলে যায়। ১৩ বলে ১১ রান করে আউট হন জাহিদুজ্জামান। মির্জা বেগ আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৩৯ রান করেন।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৭ ওভারে ৫ বলে ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায় চট্টগ্রাম। রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন বেনুরা ফার্নান্দো। এছাড়া হাসান মুরাদ ৩টি ও জিমি নিশাম ২টি উইকেট পান।

