রাঙামাটিতে ৩ দিন ধরে ভারী বর্ষণ, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
বাংলাদেশ

রাঙামাটিতে ৩ দিন ধরে ভারী বর্ষণ, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

তিন দিন ধরে রাঙামাটিতে চলছে ভারী বর্ষণ। এতে বেড়েছে পাহাড়ধসের শঙ্কা। চলমান ভারী বর্ষণে সদর উপজেলা সাপছড়ি ইউনিয়নের বধিপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ওইসব এলাকার বাসিন্দারা। ডুবে আছে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিও।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে দুর্ভোগ বেড়ে গেছে। ঘরে পনি ঢুকে মালামাল নষ্ট হয় গেছে। রান্না করার মতো জায়গাও নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা রবীন্দ্র চাকমা বলেন, ‘ঘর ডুবে গেছে। রাস্তা ঘাট তলিয়ে গেছে। পানির মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। প্রতি বছর আমাদের এই কষ্টে পড়তে হয়। পাহাড়ের পানি যখন নামা শুরু করে, তখন কী ভয়ঙ্কর অবস্থা হয় চিন্তাও করতে পারবেন না! মুহূর্তে সব তলিয়ে যায়। আমাদের অনেক সবজিক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। এই এলাকায় যে ছড়া আছে সেটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টি হলেই এমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।’

সাপছড়ি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী কীর্তন চাকমা বলেন, ‘আমাদের এই কেন্দ্রটি ভারী বর্ষণ হলেই ডুবে যায়। এ জন্য সেবা দিতে পারেন না কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একবার পানি উঠলে কমতে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগে।’

সাপছড়ি ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফুটন্ত চাকমা বলেন, ‘আমার এই ওয়ার্ডের তিনটি গ্রামের অবস্থা খুবই খারাপ। বৃষ্টি হলেই ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়। এলাকাবাসীর  ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়। খাল ভরাট হওয়ায় এই ভোগান্তি। তা ছাড়া জেলার বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ির কিছু নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে।’

স্থানীয় আবহাওয়া পর্যাবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বলছে, রবিবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই ভারী বর্ষণে বেশ কিছু স্থানে ছোট ছোট পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যেতে কাজ করছে প্রশাসন।

রাঙামাটি সদর উপজেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, ২৬টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র দুটিতে মোট ১৪১ জন অবস্থান করছেন।

Source link

Related posts

আগে আমরা মহাজোটে থাকলেও এখন নেই: জিএম কাদের

News Desk

নবাবি পোশাকে রাকসু নির্বাচনের প্রচারণায় আব্দুল্লাহ আল কাফী

News Desk

দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

News Desk

Leave a Comment