Image default
অন্যান্য

ম্যান সিটি না তাকালেও ইতিহাসই রিয়ালের বড় শক্তি

ধারেভারে, সাফল্যে, ঐতিহ্যে শুধু ইউরোপ নয়, ফুটবল বিশ্বেরই অন্যতম সেরা রিয়াল মাদ্রিদ। শুধু শিরোপার আলোচনায় যদি আসা যায়, কেবলই রঙিন উৎসবের ছবি। সেখানে ম্যানচেস্টার সিটিকে ক্ষুদ্র মনে হয়! সাম্প্রতিক সময়ে সাফল্য ধরা দেওয়া ইংলিশ ক্লাবটির লিগ জয় মাত্র সাতটি। রিয়ালের সাফল্যের ধারেকাছেও নেই। আর বলা হয় যদি চ্যাম্পিয়নস লিগের কথা, সেখানে কেবলই রিয়ালের জয়জয়কার।

. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

সেই চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালেই রিয়াল-ম্যান সিটি মুখোমুখি। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায় ইতিহাদ স্টেডিয়ামে বারুদে ম্যাচ মঞ্চায়িত হওয়ার অপেক্ষায়। যেহেতু ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার লড়াই, এখানেই সাফল্যের হিসাবটা কষে নেওয়া যাক। রিয়াল মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের ট্রফি জিতেছে রেকর্ড ১৩বার। বিপরীতে শিরোপা দূরে থাক, মাত্র একবার ফাইনালে উঠতে পেরেছে ম্যান সিটি।

দুই দলের পার্থক্য এই পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ম্যান সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা তাই শিষ্যদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, রিয়ালের ইতিহাসের দিকে তাকানো যাবে না। সেমিফাইনালের প্রথম লেগের আগে সাবেক বার্সেলোনা কোচ জানিয়েছেন, ‘যদি আমরা রিয়ালের ইতিহাসের দিকে তাকাই, তাহলে কোনও সুযোগ নেই (জয়ের)। ইতিহাসই এখানে কথা বলছে।’

গার্দিওলা না তাকালে কী, সাফল্যের এই ইতিহাসই তো বড় শক্তি রিয়ালের। দলের যে অবস্থা ছিল, তাতে শেষ ষোলোর চৌকাঠ পেরোতে পারবে কিনা রিয়াল, এই ছিল প্রশ্ন। কারণ নকআউট পর্বের শুরুতেই পড়েছিল তারকাখচিত প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ের সামনে। অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ওই বাধা পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লেখায়। সেখানে প্রতিপক্ষ আরেক শক্তিশালী চেলসি। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিদায় করে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় নিজেদের শক্তির জানান দেয়। আর এখন সেমিফাইনালে মুখোমুখি ফর্মের তুঙ্গে থাকা ম্যান সিটির।

রিয়ালের যে অবস্থা ছিল, সেখান থেকে তাদের সেমিফাইনালে ওঠার বাজি ধরার লোকের বড্ড অভাব ছিল। সেই তারাই দুর্বার গতিয়ে এগিয়ে চলেছে। যেখানে ইতিহাসই বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। ম্যাচের আগে কোচ কার্লো আনচেলোত্তি নিজেও জানিয়েছেন, ইতিহাস তাদের এগিয়ে চলার শক্তি, ‘আমার মনে হয়, এই প্রতিযোগিতায় রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাস আমাদের জন্য অনেক বড় অর্থ বহন করে। এবং সেটা এমনকি প্রতিপক্ষের চেয়েও বেশি। এই ইতিহাস আমাদের খেলোয়াড়দের মনে আত্মবিশ্বাসের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে, তারা বুঝতে পারে এই শার্টের ওজন কতটা। এই চাপটা অবশ্যই পজিটিভ হিসেবে গ্রহণ করে।’

ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতাটি চ্যাম্পিয়নস লিগ নাম ধারণের পর একমাত্র দল হিসেবে টানা তিনবার জিতেছে রিয়াল। ১৩বার সাফল্য পাওয়া লস ব্লাঙ্কোস কয়েক মৌসুম শিরোপা জিততে পারেনি। তবে এবার পথেই আছে। যে পথে পেরিয়ে এসেছে বড় বড় বাধা। সামনে এখন ম্যান সিটি।

Related posts

চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় কান্তে–জেমস

News Desk

Yellow Card scheme for adverse events does not suggest any new side effects of COVID-19 vaccines

News Desk

ঢাকাকে টপকে করোনার হটস্পট এখন খুলনা

News Desk

Leave a Comment