free hit counter
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের উন্নতির বিপুল সম্ভাবনা আছে

বাংলাদেশ হলো আমাদের অন্যতম প্রধান বাজার। এ দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠীর কারণে এই বাজারের বিপুল সম্ভাবনা আছে। এ ছাড়া এক দশক ধরে বিস্ময়কর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশের বাজারটি আমাদের প্রধান বাজারগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। ট্রান্সকম গ্রুপের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে আমাদের ব্যবসা আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছি। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে ট্রান্সকম আমাদের নির্ভরযোগ্য অংশীদার। ২০০০ সালের মার্চ মাসে আমরা ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের সঙ্গে চুক্তি করেছিলাম। এরপর দুই দশকের বেশি সময় ধরে ট্রান্সকম আমাদের আস্থাশীল অংশীদার। আমরা দেখেছি, ট্রান্সকম গ্রুপ হলো সারা বিশ্বের মধ্যে পেপসিকোর অন্যতম সেরা অংশীদারি প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশে পেপসিকো দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে এ দেশে কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা আছে?

ইউজেন ইউলেমসেন: কত বিনিয়োগ করা হবে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে পারব না। কিন্তু দেড় দিন ধরে আমি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিপণিবিতান ঘুরে দেখেছি এবং মানুষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছি। এটা বেশ পরিষ্কার যে বাংলাদেশের বাজারের বিপুল সম্ভাবনা আছে। এ দেশে ব্যবসা বাড়াতে আমাদের অংশীদারের সঙ্গে মিলে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখব। কৃষি খাত বিশেষ করে খাদ্য ও অন্যান্য ব্যবসায় বিনিয়োগ সম্প্রসারণ করা হবে। কোমল পানীয় ও খাদ্য খাতে আমরা কীভাবে ব্যবসা বড় করতে পারি, তার উপায় আমরা খুঁজে বের করছি।

পেপপজিটিভ’ বলতে কী ধরনের কার্যক্রম বোঝায়? এই বিষয়ে বাংলাদেশে কি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে?

ইউজেন ইউলেমসেন: পেপপজিটিভ হলো আমাদের একটি কৌশল, যেখানে সমন্বিত রূপান্তরমূলক ও টেকসই উদ্যোগ থাকে। এই পৃথিবী ও মানুষের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য এমন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, যার কেন্দ্রে আছে প্রবৃদ্ধি ও মূল্যবোধ। আমরা বিশ্বাস করি, টেকসই অবস্থার জন্য প্রয়োজন সার্বিক ব্যবসায় কৌশল ও পরিকল্পনা। এক বছর আগে আমরা পেপপজিটিভ চালু করেছি। তিনটি ভিন্ন ভিন্ন স্তম্ভের ওপর পেপপজিটিভ প্রতিষ্ঠিত। এগুলো হলো ‘ইতিবাচক কৃষি’, ‘ইতিবাচক মূল্যপ্রক্রিয়া’ এবং ‘ইতিবাচক পছন্দ’।

পেপসিকো হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ও কোমল পানীয় কোম্পানি। আমরা সারা বিশ্বে প্রায় এক লাখ কৃষকের সঙ্গে কাজ করছি। ইতিবাচক কৃষি খাতের স্তম্ভ অনুসারে, আমরা জমিজমাকে শস্য ফলনের জন্য উপযোগী করে ব্যবহার করছি। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি হচ্ছে।

দ্বিতীয় স্তম্ভ ইতিবাচক মূল্যপ্রক্রিয়ায় কিছু লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত আছে। যেমন ২০৪০ সালের মধ্যে ‘নেট জিরো’তে পরিণত করা। আমাদের কৃষক, সরবরাহকারী, অংশীদারসহ সব জায়গায় আমরা এই লক্ষ্যে যেতে চাই। ২০৩০ সালের মধ্যে আমার পানির ক্ষেত্রে নেট জিরোতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। পানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে নেট ওয়াটার পজিটিভ কোম্পানিতে পরিণত হতে চাই। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের প্রতিটি সেবার বিপরীতে প্লাস্টিকের ব্যবহার অর্ধেক করতে চাই। এ ক্ষেত্রে পুনর্ব্যবহার করার কৌশল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই পুরো প্যাকেজিং প্রক্রিয়ায় পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থাপনা স্থাপন করা হবে।

Bednet steunen 2023